Description
সোমেশ্বর নামে এক স্বর্ণ-অলঙ্কারের কারিগর নিঃস্ব হয়ে উ পস্থিত হয় সাতবাহনদের সূর্পরক নগরীতে। পথে আভীর দস্যুদের দ্বারা লুণ্ঠিত হয় সে। সেসময় নগরে অনুষ্ঠিত হচ্ছিল দ্যূতক্রীড়ার প্রতিযোগিতা। সোমেশ্বর পুরস্কারের অর্থের জন্য সেখানে অংশ নেয়। আলাপ হয় মুড়ীক নামে এক অতি ধূর্ত বৃদ্ধ ক্রীড়কের সাথে। চূড়ান্ত পর্বে মুড়াক তাকে পরাজিত করে। পুরস্কারের অর্থ পায় না সোমেশ্বর। কিন্তু ধূর্ত মুড়ীক অসহায় সোমেশ্বরকে আশ্রয় দেয় তার গৃহে। মুড়ীকের। অভিসন্ধি ছিল ভয়ানক। সে ছিল দাস ব্যবসায়ী। মনে মনে সোমেশ্বরকেও দাসরূপে বিক্রয় করে দেওয়ার পরিকল্পনা করে সে। মুড়াকের গৃহে সোমেশ্বরের সাথে পরিচয় হয় বৃদ্ধ। মুড়ীকের যুবতী রূপসী স্ত্রী চিত্রাঙ্গদার। চিত্রাঙ্গদার থেকে সোমেশ্বর মুড়ীকের গোপন অভিসন্ধি জানতে পারে। এ-ও জানতে পারে, মুড়ীক মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বিবাহ করেছিল চিত্রাঙ্গদাকে। এরপর কৌশলে বৃদ্ধ মুড়ীককে গলার আঘাতে অজ্ঞান করে দিয়ে চিত্রাঙ্গদাকে সঙ্গে নিয়ে ঘোড়ায় চড়ে প লায়ন করে। পথঘাট, পাহাড় পর্বত পার হয়ে সোমেশ্বর আর চিত্রাঙ্গদা এসে পেঁৗঁছায় সাতবাহনদের রাজধানী পৈঠানে রাজা পুলোমার প্রাসাদে। তার পর?







Reviews
There are no reviews yet.