Description
প্ৰাকথন
সেই কোন সকালে প্রায় ষাট বছর আগে স্কুলের বাৎসরিক পত্রিকায় ছাপার অক্ষরে নিজের লেখা কবিতা ও নাম দেখে আনন্দে বুক ভরে উঠেছিল, তারপর বেলা গড়াল, ভাই বোন বন্ধুরা মিলে ‘অগ্নিহোত্রী’ নামে একটা লিট্ল ম্যাগাজিন বার করা, সেও স্কুল জীবনের শেষের দিকের কথা। ডাক্তারি কলেজে ঢুকে কয়েকজন কবিতাপাগল বন্ধুর সঙ্গে দেখা হল যেমন সব্যসাচী, সত্যনারায়ণ, জ্যোতির্ময়, তাদের সঙ্গে ডাক্তারির কঠিন অধ্যয়নের মধ্যেও ওয়াল ম্যাগাজিন, লিট্ল ম্যাগাজিন বার করা এবং বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখা পাঠানো শুরু। তাদের মধ্যে প্রথম দুজন “নয়ন সম্মুখে নাই, নয়নের মাঝখানে নিয়েছো যে ঠাঁই।” তৃতীয়জন জ্যোতির্ময় ওয়াদ্দাদার কবিতার জন্য নিবেদিত প্রাণ, ডাক্তারিতে ও প্রতিশ্রুতিবান উজ্জ্বল ছাত্র। সে ছিল কবি শঙ্খ ঘোষের আশীর্বাদধন্য অনুজ কবি। তাঁর জন্যই আমার রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক কবিতা পাঠের শুরু। পরবর্তী পর্যায়ে হাসপাতালের নীরস কর্মজীবনে আলাপ হল ভ্রাতৃপ্রতিম সহকর্মী ও সহমর্মী ডাক্তার দেবাঞ্জন পানের সঙ্গে। সে নিজেও একজন সুসাহিত্যিক ও সুকবি, বর্তমানে বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। সে অনুখন আমাকে উৎসাহ ও প্রেরণা দিয়ে গেছে কবিতা লেখার জন্য । বছরখানেক আগে থেকে আমার বেশ কয়েকজন সহকর্মী, বন্ধু ও আত্মীয়স্বজন বলতে শুরু করেছিলেন, ‘অনেকগুলো কবিতা তো লেখা হল এবার একটা বই বার করো।’
সত্যি কথা বলতে কি আমার কবিতার বই বার করার কোনো ইচ্ছে ছিল না, কবিতার অপার সমুদ্রের বিস্তীর্ণ বালুকাবেলায় ঘুরে






Reviews
There are no reviews yet.