Description
২৪ ঘণ্টা পরে
আমি সরকারি হসপিটালের তিন নম্বর বেডে শুয়ে আছি। চব্বিশ ঘণ্টা ধরে আমি আকাশ দেখিনি। শুধু যন্ত্রণায় ছটফট করেছি। আমার যোনি ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। ওরা চারজনে মিলে আমায় সারারাত ধরে ভোগ করেছে। আমি চিৎকার করেছি, দাপাদাপি করেছি। নখ দিয়ে খিমচে দিয়েছি, কামড়ে দিয়েছি। ওরা আমায় ছাড়েনি। পুরনো বন্ধ কারখানার লম্বা দেওয়াল ভেদ করে আমার গলার স্বর বাইরের কোনো মানুষ শুনতে পায়নি!
আমাকে নাকি একটা নালার মধ্যে নগ্ন অবস্থায় পাওয়া যায়। সকালে জমাদার এসে প্রথম দেখতে পায়। পুলিশ আমায় হসপিটালে নিয়ে আসে। আমার যখন জ্ঞান ফেরে আমি হসপিটালের বেডে যন্ত্রণায় ছটফট করছি। পুলিশ আমাকে অনেকবার জিজ্ঞেস করেছে আমার বাড়ির ঠিকানা। আমি বলেছি, মনে পড়ছে
না ।
মনে পড়লেই বা কী? মা, বাবা যখন জানবে চিৎকার করে কাঁদতে পারবে না । আবার ছুটেও আসতে পারবে না। সামনে মাসে দিদির বিয়ে। আমার বাইশ বছরের দিদি কতদিন ধরে স্বপ্ন দেখেছে একটা সাজানো গোছানো সংসারের। গরিবের সাজানো গোছানো সংসার মানে ফ্রিজ, টিভি, সোফা, গদি পালঙ্ক নয় । দুবেলা দুমুঠো শাস্তির ভাত। ঘুরতে যাওয়া মানে বরের সঙ্গে সাইকেল করে নদীর
ধারের হাওয়া খাওয়া ।
পাত্র বয়েসে দিদির থেকে বেশ কিছুটা বড়। প্রথম পক্ষের স্বউ মারা গেছে । তবে অবস্থা ভালো। গ্রামে মুদিখানার দোকান আছে। দোতলা বাড়ি। সাইকেল নয়, পাত্রের লাল রঙের একটা মোটরসাইকেল আছে। দিদি মনে মনে পঙ্খিরাজ কল্পনা করে হবু বরের সঙ্গে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছে। এই স্বপ্নের দাম প্রায় এক লাখের কাছাকাছি। আমি জানি বাবা পারবে না। বাবার ছোট্ট চায়ের দোকানের








Reviews
There are no reviews yet.