Description
” উত্তরার মাথায় অঙ্কন ধান দূর্বা রেখে আশীর্বাদ করতে যেতেই উত্তরা ঝরঝর করে কেঁদে ফেলল। জন্মদিনের দিনটা কেন যে এমন স্পর্শকাতর হয়। মা কিংবা অঙ্কনকে কিছু বুঝতে না দিলেও, অন্যদিনের চেয়ে আজ উত্তরা মানসিকভাবে বেশি দুর্বল হয়ে পড়েছিল। বাপির হঠাৎ শরীর খারাপ হয়ে গেল। উচ্চ রক্তচাপের কারণে বাপির নাক দিয়ে খানিক টাটকা রক্ত বেরিয়ে এসেছিল। মা ভয় পেয়ে কান্নাকাটি জুড়ে উত্তরাকে ফোন করেছিল। ডাক্তার কাকা এসে বিষয়টা সামলে নিলেও, অফিসে বসে থাকা উত্তরার ভয় এত সহজে কাটে না। মায়ের মন ভালো না থাকায় আজকের পায়েসের আয়োজন অন্যদিনের জন্য মুলতুবি রাখা হয়েছে। সামান্য মাছের ঝোল ও ভাত দিয়ে উত্তরা সেরে নিয়েছে নৈশভোজ। জন্মদিনের দিন পায়েসের বাটি হাতে নিয়ে উত্তরা বাড়িময় ঘুরে বেড়ায়। আর সবশেষে রান্নাঘরে পৌঁছে পায়েসের হাঁড়ি বাসন চেঁছে খেতে উত্তরা বরাবরই খুব পছন্দ করে। মায়ের হাতের পায়েস আর পায়েসের গন্ধ ছাড়া এই দিনটা যেন বড় অসম্পূর্ণ আর পানসে লাগে। আজ উত্তরা অন্তত এতটুকু সান্ত্বনার সন্ধান পেল, মা বাবার চোখের আড়ালে থাকলেও এই পৃথিবীতে সে একা নয়। একটা মানুষ নানাবিধ উপায়ে তার অজান্তে সর্বদা তাকেই সুখী করার চেষ্টা করে চলেছে |






Reviews
There are no reviews yet.