Description
ফোর্থ ডাইমেনশন নামে একটি সংস্থা খুলেছে পূবালী দাশগুপ্ত। সহকারী তারই খুড়তুতো বোন অহনা ওরফে মিঠি। গতানুগতিক কেসের বাইরে একটু অফবিট কেসের প্রতি আগ্রহ পূবালির। সেরকমই তিনটি অন্য স্বাদের রোমাঞ্চকর কাহিনী প্রথম সমগ্রে।
প্রথম কাহিনী উ: লাশ!
সেলুলার মেমারীকে ঘিরে গড়ে উঠেছে এই কাহিনী। একটি অপারেশানের পর কিভাবে একটি মেয়ের আচার আচরণ বদলে যায় এবং মৃত্যু ভয়ে তার দিন কাটতে থাকে। অত:পর এই সমস্যার সমাধানের জন্য এবং একটি খুনের কিনারা করতে পূবালীর ডাক পড়ে। একটি পাখির সাহায্যে কিভাবে পুবালী, অহনা এই রহস্যের জট ছাড়ায়, সেটা জানতে হলে পড়তে হবে এই উপন্যাস।
দ্বিতীয়টি একটি অদ্ভুত পানীয় ও একটি কাল্ট
এই উপন্যাসে শুরুতেই রয়েছে ডাইনি সন্দেহে এক মহীয়সী মহিলার হত্যা।
অথচ তিনি মেঘ মল্লার রাগ সঙ্গীত ক্রমাগত অনুশীলন করে বৃষ্টি নামিয়ে পুরুলিয়ার মাটিতে একটি অদ্ভুত গাছের ফলন করতে চেয়েছিলেন যার পানীয় খেলে ব্রেনে অনেক ইনএকটিভ সেল খুলে যায় এবং কাজ করতে শুরু করে। ফলে অনেক অদ্ভুত জিনিস দেখার সৌভাগ্য হয় যা সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে। এমন মানুষকে মারবে কে এবং কি তাদের উদ্দেশ্য? মৃত্যুকালে তিনি। ভয় ভয়’ বলতে কোন ভয়ের কথা বলতে চেয়েছিলেন।
তৃতীয় উপন্যাস- তিন আঙ্গুলে মমির রহস্য।
পেরুর নাজকা মরুভূমি থেকে উদ্ধার হওয়া এক রহস্যময় তিন আঙ্গুল বিশিষ্ট মমি যার মাথার গঠন ছিল অস্বাভাবিক লম্বাটে সেটা কিভাবে এসে পৌঁছল ইতিহাসবিদ বিমলবাবুর বাড়িতে? এক রাতে সেটাই আবার নিখোঁজ। জানা যায় টোম্ব রবার মারিওর নেতৃত্বে পাওয়া গিয়েছিল এমন ছয়টি মমি— একজন মমির নাম’ মারিয়া’। এক শিশুর নাম ববিতা। কিন্তু এই আন্তর্জাতিক দুর্লভ সম্পদ হঠাৎ কলকাতার মাটিতে কিভাবে এলো? কে বা কারা কিভাবে চুরি করল? ডাক পড়ে পূবালী দাশগুপ্তর। এ কি শুধুই প্রত্নতাত্বিক রহস্য, নাকি এর গভীরে রয়েছে সময়, সভ্যতা ও ষড়যন্ত্রের ছায়া!! জানতে হলে পড়তে হবে এই বই পূবালী অহনা সমগ্র ১







Reviews
There are no reviews yet.