Description
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন বর্মার (অধুনা মায়ানমার) উপরে জাপানি বিমানবাহিনীর ঘোরতর আক্রমণ চলেছিল। প্রথমত চিনে রসদ সরবরাহের পথ বন্ধ করার জন্য এবং দ্বিতীয়ত বর্মার ভিতর দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে ব্রিটিশ সরকারকে বিপর্যস্ত করা– এই দুটি উদ্দেশ্য ছিল তাদের। এই সময় বর্মায় বিশাল সংখ্যক ভারতীয় বাস করতেন। কেউ চাকরবাকরি, কেউ ব্যবসা, কেউ বা অন্যান্য কাজের সূত্রে সপরিবারে এখানে বাস করতেন। কেউ কেউ অনেক পুরুষ ধরেই বাস করতেন এখানে। তাঁরা এই বিপর্যয়ে বিপন্ন হয়ে প্রাণ নিয়ে পালাবার চেষ্টা করতে থাকেন। অনেকেই জীবন্ত পৌঁছাতে পারেন নি। কেউ কেউ সর্বস্বান্ত অবস্থায় কোনোমতে প্রাণ নিয়ে ফিরতে পেরেছিলেন। সে এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। যাঁরা জাপানি বোমার থেকে রেহাই পেয়েছিলেন, তাঁরা বর্মার বিভিন্ন উপজাতি হাতে, অথবা রোগে অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণ হারিয়েছিলেন।
এই অবস্থার মধ্যে পড়েছিল তিন বাঙালি তরুণ- বীরেশ্বর, সাত্যকি ও প্রভাত। তারা বর্মায় গিয়েছিল প্রধানত উদ্ভিদবিজ্ঞানের অনুসন্ধানে। কিভাবে নানা বিপদ কাটিয়ে এই তিন বন্ধু দুর্দিনে উদ্ধার পেয়ে দেশে ফিরে এসেছিল, তারই বিবরণ দুটি খণ্ডে রচনা করেছিলেন সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায় ‘বর্মায় যখন বোমা পড়ে’ ও ‘পথভোলা পথিক’। এই বইতে যা লেখা হয়েছে তা সত্য ঘটনা অবলম্বনেই রচিত হয়েছে। একসময় এই বইদুটি কিশোর ও তরুণদের মধ্যে ব্যাপক সমাদর পেয়েছিল। আজকের প্রজন্মের কাছেও আশা করা যায়, তারা জনপ্রিয়তা লাভ করবে।







Reviews
There are no reviews yet.