Description
বইটিতে পাঠক কবিগুরুর খেয়ালী মনের পরিচয় পাবেন। গাম্ভীর্যের দেয়াল ঠেলে পাঠকের সামনে অন্য এক রবীন্দ্রনাথের ছবি ফুটে উঠবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে যারা দেবতার আসনে বসিয়েছেন এতে তারা কতটুকু তৃপ্ত হবেন জানি না। কেননা সংকলকদের অবস্থা অনেকটা সেই ঝাঁঝরের মতো: ছিদ্র দিয়ে উকি দিলে ত্রুটি চোখে পড়বেই। সান্ত্বনা এই. অনিচ্ছাকৃত সেই ত্রুটির দায় শুধু আমার নয়, মৈত্রেয়ী দেবী, বনফুল, রানী চন্দ, নির্মল কুমারী মহলানবিশ এমনকি কিছুটা স্বয়ং রবি ঠাকুরেরও। কারণ তাদের থেকেই তো সব কুড়িয়ে নেয়া। বইটিতে এমন কিছু ঘটনা আছে, যেখানে রসিক রবীন্দ্রনাথকে সরাসরি খুঁজে পাওয়া যাবে না। কবিগুরু সেখানে গুরুগম্ভীর। অথচ সেই গম্ভীর ঋষিমূর্তির আড়ালেই পাওয়া যায় সূক্ষ্ম হাস্যরসের আভাস। আবার কিছু জায়গায় তাঁকে কেন্দ্র করে ঘটনাগুলো ঘটেছে। ঘটনার আকস্মিকতায় তিনি হতবুদ্ধি হননি। বরং উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে হাস্যরসের খোরাক জুগিয়েছেন: দিয়েছেন রসিক মনের পরিচয়। এখন পাঠক বইটি পড়ে সেই রস অনুভব করলেই সংকলকের চেষ্টা সার্থক হয়।






Reviews
There are no reviews yet.