Description
অমিত একজন কুঁড়ে, একগুঁয়ে, বেপরোয়া ছেলে। নিছক অনুসন্ধিৎসু হয়ে সে আবিষ্কার করতে থাকে একের পর এক রোমহর্ষক তথ্য। কী সেগুলো?
একজন দুঁদে ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্ট অ্যাসাইনমেন্ট পান, গোপনে একজন বিখ্যাত লেখকের সম্বন্ধে তথ্য সংগ্রহ করার। কিছুদিনের মধ্যেই কিডন্যাপড্ হন সেই লেখক। তারপর ওই জার্নালিস্ট ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে পড়েন এক ষড়যন্ত্রে।
গুপ্ত সংগঠন ইলুমিনাটিকে নিয়ে প্রচলিত আছে নানান কন্সপিরেসি থিওরি। কেউ কেউ বলে এই সংগঠন বন্ধ হয়ে গেছে বহু বছর আগে। আবার কেউ বলে এই সংগঠন অগোচরে নিজেদের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করে চলেছে আজও। লেখকের কিডন্যাপিংয়ের সাথে কীভাবে জুড়ে যাচ্ছে এই ইলুমিনাটির নাম?
বর্তমানে আরেকটি সংগঠন গোপনে নিজেদের কার্যকলাপ করে চলেছে। পৃথিবী থেকে সব ধর্ম উচ্ছেদ করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। সফল কি হবে তারা? সেই সংগঠন আর ইলুমিনাটি কি একসূত্রে গাঁথা? গীতায় অর্জুনকে দেওয়া শ্রীকৃষ্ণের কথানুযায়ী কি ধর্মের গ্লানি মুছে ফেলতে ভগবান বিষ্ণু নতুন অবতারে অবতীর্ণ হবেন এই পৃথিবীতে?
অজানা কিছু ইতিহাস, অ্যাডভেঞ্চার, রোমাঞ্চ, নিখাদ প্রেম– এসব নিয়েই জমজমাট উপন্যাস “নন্দক”।
নন্দক
নদীর এক্কেবারে ধারে এসে হাঁটু ভাঁজ করে বসে পড়ল রকি। রেনকোটের হুডটা মাথা থেকে টেনে নামিয়ে দিল। ঠিক এখানের জলে ঝাঁপ দিয়েছিল সেই ছেলেটা। তারপর কি জলের ভিতরেই গায়েব হয়ে গেল নাকি? যে হারে গুলি চলল তাতে তো ওর কেবল ছিন্নভিন্ন লাশটা জলের উপর ভেসে ওঠা উচিত ছিল! কিন্তু সেটাও হল না।
নদীর জলটা কেঁপে উঠল মনে হল! রকি ভালোভাবে দেখবার চেষ্টা করল। অচিরেই সব্বাইকে চমকে দিয়ে জল ফুঁড়ে বেরিয়ে এল সে। বিরাশি সিক্কার ঘুষি বসিয়ে দিল রকির চোয়ালে। এইবার শুরু হল দানবতুল্য রক্ষীগুলোর সাথে ধস্তাধস্তি। একজনের পায়ের ফাঁকে লাথি মেরে তার মেশিনগানটা কেড়ে নিতে সক্ষম হল সে। তারপর ট্রিগারে চাপ দিল। অনর্গল আগুনের ফুলকি আর বুলেট শেলের বৃষ্টি— কিছুক্ষণ আগের সেই শান্ত পরিবেশটিকে পায়ের নিচে পিষে ফেলল বন্দুকের কান্না।
সে কায়দা করে একেকজনকে শ্যুট করতে করতে এগিয়ে যাচ্ছে। তবু একটা বুলেটও তাকে স্পর্শ পর্যন্ত করছে না। সে একাই একশো। ওয়ান ম্যান আর্মি! এইরকম সিক্রেট মিশন তার কাছে জলভাত!






Reviews
There are no reviews yet.