Description
একদিন খবরের কাগজ পড়ে জানতে পাড়েন জেল থেকে দুই আসামী ভাংলু আর ছোটগিরি পালিয়ে গেছে। কাকাবাবুর সন্দেহ এই দুইজনই পাচারকারী দলের হোতা। অনেক খোঁজখবর করে জানতে পাড়েন কনস্টেবল যে পাহারায় ছিল তাকে হাত করে তারা পালিয়েছে। কনস্টেবলের কাছ থেকে কাকাবাবু খবর পায় ময়না নামের এক মহিলা এই পাচারকারীদের হয়ে কাজ করে। কাকাবাবু ময়নার ছেলেকে কিডন্যাপ করে ময়নার থেকে পাচারকারী দল সর্ম্পকে তথ্য বের করার ফন্দি আঁটলেও অপরদিকে তারা দেবলীনাকে কিডন্যাপ করে কাকাবাবুকে দেখা করতে বলে। কাকাবাবু তাদের ডেরায় গেলে ওস্তাদ আর ডাবু নামের দুই সন্ত্রাসী কাকাবাবুকে অজ্ঞান করে আটকে রাখে যেখানে তারা দেবলীনাকে রেখেছিল।
এদিকে সন্তু আর জোজো কাকাবাবুর খোঁজ করতে করতে মামুন নামের এক বাংলাদেশী ডিটেকটিভের দেখা পায় যিনি জানেন সুন্দরবনের ছোট মোল্লাখালির কাছে একটা দ্বীপে বাচ্চাদের পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছে। সন্তু, জোজো আর মামুন সাথে সাথে রওনা হয়ে পড়ে লঞ্চ নিয়ে। পথিমধ্যে তাদের দেখা হয় ডি.আইজি রফিকুলের সাথে। অপরদিকে কাকাবাবুর উপর খানিক অত্যাচার করে ওস্তাদ আর ডাবুর দল রওনা হয় লঞ্চ নিয়ে বাচ্চাগুলোকে মুম্বাইয়ে পাঠিয়ে দিতে। যাওয়ার আগে কাকাবাবুদের বদ্ধ ঘরে আগুন লাগিয়ে যায়। কাকাবাবু আর দেবলীনা কোনমতে উদ্ধার পেয়ে বাহিরে আসলে রফিকুল আলমদের লঞ্চ নিয়ে ধাওয়া করে পাচারকারী চক্রের লঞ্চের পিছে। দুইপক্ষে গোলাগুলি হলেও ওস্তাদ নামের লোকটি একটা ছেলেকে ধরে রাখে তার দিকে রিভলভার আর কাকাবাবুদের চলে যেতে বলে। কাকাবাবুরা নিরুপায় হয়ে ওদের লঞ্চকে ছেড়ে দিলেও হঠাৎ একটা কান্ড করে বসেন কাকাবাবু।
বেশ যথেষ্ট হয়েছে। আর না। কি কান্ড, কি এমন করলেন কাকাবাবু নাকি তিনি বাচ্চাদের বাঁচাতে ব্যথ হলেন তা জানতে ‘ কাকাবাবু ও শিশুচোরের দল’ বইটি অবশ্যই পড়তে হবে। সুনীল বাবুর সহজ গদ্য নিয়ে কোন কথা হবে না। খুব তড়তড় করে পড়া যায়। তবে এইগল্পটা আমার কাছে কিছুটা কম এডভেঞ্চারাস মনে হয়েছে।






Reviews
There are no reviews yet.