Description
‘পথের পাঁচালী পড়ে রবীন্দ্রনাথ বিভূতিভূষণকে লিখেছিলেন- ‘তোমার বইখানি দাঁড়িয়ে আছে আপন সত্যের জোরে।’ প্রথম প্রকাশিত হবার বাহাত্তর বছর পরে আজও জনগণমানসে একটি স্নিগ্ধ ও মৃদু অনুভূতির স্থান অধিকার করে রয়েছে বাংলা সাহিত্যের এই মহান্ উপন্যাস।- কবিগুরু কথিত সেই সরল সত্যের জোরেই।
বিশ্বসাহিত্যের যে কোনো মহৎ ঔপন্যাসিকের মত ‘পথের পাঁচালী’ লেখবার সময় বিভূতিভূষণ পাতার পর পাতা খসড়া করেছেন, কিভাবে কাহিনী এগিয়ে যাবে তার পরিকল্পনা করেছেন। এর থেকে কিছু গৃহীত হয়েছে মূল আখ্যানভাগে, কিছু বা বর্জিত হয়েছে। বিস্ময়ের কথা, যে দুর্গার চরিত্র দীর্ঘকাল ধরে পল্লীবাংলার সরলা কিশোরী মেয়ের প্রতীক হয়ে আছে, সেই দুর্গা প্রাথমিকভাবে লেখকের পরিকল্পনার অন্তর্গত ছিল না। রচনা বেশ কিছুদূর অগ্রসর হবার পর ভাগলপুর শহরে ডুরে শাড়ি পরা রুক্ষচুল এক বালিকাকে দেকে বিভূতিভূষণের মনে গভীর বাৎসল্যরসের সঞ্চার হয়। এই কিশোরীকে ‘দুর্গা’ চরিত্র হিসেবে যুক্ত করেন উপন্যাসে।
প্রকাশনার জগতে এই বই এক বিস্ময়কর আবির্ভাব। স্মরণীয় সাহিত্যিকের অন্তর্জগতের এক অপরূপ উদঘাটন।








Reviews
There are no reviews yet.