Description
হিন্দিতে তেন্দুয়া মানে চিতা, লেপার্ড। চিতা আর লেপার্ড তো কোনোভাবেই এক নয়। আমরা অনেকেই ভুল করেই লেপার্ডকে চিতা বলে ডাকি। সত্যি বলতে কি ভারতে চিতা বহু বছর হল বিলুপ্ত। মানুষের লোভ তাদের নিকেশ করে দিয়েছে, একেবারে। সম্প্রতি অবশ্য আফ্রিকার নামিবিয়া থেকে চিতা নিয়ে এসে ছাড়া হয়েছে ভারতের জঙ্গলে। সেসব অন্য প্রসঙ্গ। সিকিমের রোলেপে রংপো নদীর কাছাকাছি হোম স্টে— ‘রেজারেকশন’-এ উঁচু করে রাখা বাঁশের খোঁয়াড়ের ভেতর ছাগল-মা, ছাগল বাবা আর ছাগল-ছাদের লোভে লোভে রাতের বেলা এসে যায় তিন তেন্দুয়া মা-লেপার্ড আর তার সঙ্গে দুই ছা-লেপার্ড। বাতাসে তখন ছাগল ছাগল গন্ধ। সেই মা-লেপার্ড আর তার সঙ্গের দুই ছা- লেপার্ড যেমন এসেছে এই বইয়ের গপ্পো-গাছায়, তেমনই পাশাপাশি আছে। রসিল নামে এক সিকিমি কিশোরের কথাও। আর আছে পিটির আর তার বন্ধু সুড়সুডি পিঁপড়ে পিপীলের গল্পো। পিপীল, নীল-বাঘুয়া, মেঘ-মামা, ঝুপু-বুবু, পিটিরদের সোদপুরের বাড়ি, বারো মন্দিরের ঘাট, দাদা-ঠামি, বাবা মামমাম, বুবাই কাকা, অনিকাকা, পুচি দিদি— সব কেমন যেন এক হয়ে যায় পিটির আর পিপীলকে নিয়ে বোনা এই সব কথা-টথায়। কিন্নর রায় তাঁর কাহিনি যে মায়াবী গদ্য চলনের বুনোনে এগিয়ে নিয়ে যান, তার স্বাক্ষর এই বইয়ের পাতায় পাতায়। কথা-কল্পনা-কাহিনির এক আশ্চর্য সমাহার কিন্নর রায়ের এই গদ্যযাত্রা। ছোটদের লেখা, বড়দের লেখা, এই যে নকল বেড়াদারি সীমারেখা, তা কত সহজেই না মুছে দিলেন কিন্নর রায়।






Reviews
There are no reviews yet.