Description
যে ব্যক্তি দৈহিক ক্রিয়া ও মানসিক ক্রিয়া দু’দিকেই ভারসাম্য বজায় রেখে চলতে পারেন, তিনিই প্রকৃত ‘সুস্থ’ ব্যক্তি। বর্তমানে আমরা মানসিক সুস্থতা সম্পর্কে খানিকটা সচেতন হয়েছি ঠিকই, কিন্তু বাচ্চাদেরও যে নানারকম মানসিক সমস্যা হতে পারে সেই বিষয়ে আমরা কি সচেতন? শিশুর মনে কীভাবে চাপ সৃষ্টি হয়, সেও যে বিষণ্ণ হতে পারে, তারও যে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মন তৈরি হয়, তারও যে আবেগ আছে— এই বিষয়গুলো সম্পর্কে ভাবা দরকার। শিশুরাও যে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হতে পারে, তা নিয়ে সচেতনতা ও প্লে থেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসাব্যবস্থা সারা বিশ্ব জুড়ে বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকেই শুরু হয়েছে। শিশুরা যেহেতু বড়দের মতো তাদের মনের কষ্ট বা আবেগ ভাষায় সুন্দরভাবে ব্যক্ত করতে পারে না, তাই তাদের চিকিৎসা করা হয় খেলার মাধ্যমে— ‘প্লে থেরাপি’। কেন প্লে থেরাপি? এই থেরাপি কীভাবে হয়? এই থেরাপির মধ্য দিয়ে কী কী বিষয় উঠে আসে— এক্ষেত্রে অভিভাবকদের ভূমিকা কী— সবই এই বইতে বিস্তারিতভাবে আলোচিত।
অধ্যাপিকা বনানী ঘোষ তিন দশকেরও বেশি পশ্চিমবঙ্গের ‘দুর্গাপুর উইমেন্স কলেজ’ এবং ‘বঙ্গবাসী কলেজে’র দিবা বিভাগে দর্শনশাস্ত্রে অধ্যাপনার কাজে ব্রতী ছিলেন। ইন্ডিয়ান সাইকো অ্যানালিটিকাল সোসাইটির ছাত্রী হিসেবে প্রখ্যাত মনঃসমীক্ষক ড. তরুণচন্দ্র সিংহ (ডি.এস.সি)-র নিকট মনঃসমীক্ষণে প্রশিক্ষণ লাভ করেন। ড. তরুণচন্দ্র সিংহ প্রতিষ্ঠিত ‘সমীক্ষণী— মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র’-র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এ ছাড়া ‘হামারি মুস্কান’ সংস্থার এক্সিকিউটিভ মেম্বার এবং বিরাটিতে ‘মানবিক’— মানসিক স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গেও যুক্ত। বিভিন্ন পত্রিকায় তাঁর দার্শনিক ও মনঃসমীক্ষণভিত্তিক নানান প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত বই ‘তরুণচন্দ্র সিংহ— একটি বর্ণময় জীবনালেখ্য’ এবং ‘স্বপ্ন’ (সিগমুন্ড ফ্রয়েডের ভাবনা) প্রকাশিত। অবসরপ্রাপ্ত জীবনে তিনি মনঃসমীক্ষণ সংক্রান্ত নানাবিধ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত নানান সচেতনতার কাজে ব্রতী হয়েছেন।






Reviews
There are no reviews yet.