Description
বিগ্রহতে প্রাণের জোয়ার আমি দেখতে পেলাম কই। আমি রামকৃষ্ণ নই, বামাক্ষ্যাপাও নই। সত্যিতো ধাতু, পাষাণ, মাটি দিয়ে গড়া মূর্তি ব্রাহ্মণদের বলা অং বং চং মন্ত্রে প্রাণ পেয়ে মৃন্ময়ী থেকে চিন্ময়ী হয়ে ওঠে। কি জানি, আমিতো খুবই সাধারণ বদ্ধ, সংসারী জীব। তাহলে কি আমার মানব জনম বৃথা! যুগাবতার শ্রীরামকৃষ্ণদেবের কথায় ঈশ্বর দর্শনই হল মানব জীবনের সব চাইতে বড় প্রাপ্তি। কিন্তু বর্তমান সমাজের দিকে তাকালে মনের মধ্যে হাজারো সন্দেহ জেগে ওঠে। চারদিকে এত অনাচার, অবিচার, কদাচার, ব্যভিচার তা হতে সাধুজনদের মুক্তি দেওয়ার জন্যে ভগবান কি সত্যি জন্ম নিয়ে থাকেন, পৃথিবীর মাটিতে!! তাঁর (পরমেশ্বর বা পরমেশ্বরী) কৃপা হলে সবই সম্ভব। পরমেশ্বর কি সত্যি আছেন? কত লোক কত কথা বলে। নাকি সবই আমাদের উর্বর মস্তিষ্কের কল্পনামাত্র বা লোক ঠকানোর পথ ছাড়া অন্য কিছু নয়। সাধারণ মানুষের ভয়, দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ নিজের মত আখের গুছিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু মন যে অন্য কথা বলে। শ্রীরামকৃষ্ণ, বামাক্ষ্যাপা, শ্রীচৈতন্য, বুদ্ধ, নানক, মহম্মদ, ভবা পাগলা, সাঁইরাম, লোকনাথবাবা, সারদা মা, তারাক্ষ্যাপার মত আরো মহান মহান উচ্চমার্গের সাধকেরা কি আমাদের ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল পথের দিকে টেনে নিয়ে গিয়েছেন নাকি ভুল পথ দেখিয়েছেন? ভারতের মহান সাধকেরা সত্যি ঈশ্বর দর্শন করেছেন। সেই ঈশ্বরের স্বরূপই বা কি? এ ধরনের নানা প্রশ্ন আমার মনের মধ্যে সৃষ্টি করেছে ঈশ্বর বা ভগবানের প্রতি এক অদম্য কৌতূহল। তারই টানে টানে বিশ্বগ্রাসী ক্ষুধা নিয়ে ছুটে গিয়েছি মঠ, মিশন, আশ্রম, আখড়া, মন্দিরে, নানা পীঠস্থানে, দরগাতে, খ্যাত-অখ্যাত শ্মশানে। এমনকি কবর স্থানেও। আজও ছুটে চলেছি সেই পরম সত্যকে জানবার আশা নিয়ে । দেখি, তাঁর দেখা পাই কিনা।









Reviews
There are no reviews yet.