Description
মহর্ষি দ্বৈপায়ন শুধু মহাভারত রচয়িতা নিন, নিজেও একজন অন্যতম নিয়ন্ত্রণকারী চরিত্র। বিশেষ বিশেষ মুহূর্তে যখন এক ঘটনা থেকে আর এক ঘটনায় বাঁক নিচ্ছে, কিংবা থমকে গেছে ঘটনাস্রোত ঠিক সেই সেই সময়ে দ্বৈপায়নকে মহাভারতের আখ্যানভাগে দেখা গেছে। তাঁর উপস্থিতি বিশেষ বিশেষ সংকট সময়ে অনিবার্য হয়ে পড়ার কোনো কারণ ছিল। না। তবু সত্যবতীর কানীন পুত্র বলেই হস্তিনাপুরের রাজনীতির অভ্যন্তরে এবং পরিবারের ভেতর তিনি ঢুকে পড়েছিলেন। পরোক্ষভাবে গোটা মহাভারতের ঘটনাকে প্রভাবিত করেছেন।
দ্বৈপায়ন নিরপেক্ষ নন। কৌরব পরিবারের পারিবারিক দ্বন্দ্বের একপক্ষ। পাণ্ডবদের পক্ষাবলম্বন করার পেছনে ছিল তাঁর প্রবল প্রতিশোধস্পৃহা। প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে গিয়ে ঋষি থেকে একজন সাধারণ মানুষের দ্বেষ-বিদ্বেষ, ঘৃণা, প্রতিহিংসার সমতলে নেমে এসেছিলেন। কিন্তু ঘটনার অন্তরালে থাকার জন্য ঋষির মহিমার দীপ্তি তাতে একটুও কমেনি। কারণ, তিনি তো নিজে কিছু করেননি। ঔরসজাত পুত্র বিদুর ছিল তাঁর ইচ্ছার রূপকার। কৌরবদের ওপর আক্রোশ মেটাতে বিদুরকে ঢাল করেছেন। আর কৃষ্ণ ছিল তাঁর হাতের পুতুল। আর তিনি দক্ষ বাজীকরের মতো যেমন খুশি তাকে নিয়ে খেলেছেন।






Reviews
There are no reviews yet.