Description
একটি আন্তর্জাতিক আলোচনা সভায় মরিচঝাঁপি নিয়ে একটি গবেষণাপত্র লিখতে প্রস্তুতি নিচ্ছে তরুণ অধ্যাপক অরিন্দম। তাকে সাহায্য করছে তার প্রেমিকা চান্দ্রেয়ী। গবেষণাপত্রটির জন্য ক্ষেত্রসমীক্ষা করতে গিয়েই অরিন্দমের সঙ্গে দেখা হয়ে যায় মানা হালদারের। দণ্ডকারণ্যের মানা ক্যাম্পে জন্ম যে-মানা হালদারের, সে এখনও জীবিত, মরিচঝাঁপির দগদগকে ক্ষত বুকে নিয়ে। মরিচঝাঁপিতেই সে হারিয়ে ফেলেছে তার পাগলদাদাকে। সেই শোক তার কাটেনি এখনও। এই শোক স্পর্শ করেই মানা হালদারের বয়ানেই এই উপন্যাসের কাহিনি মূলত বর্ণনা করতে থাকে উদ্বাস্তুদের দুর্গতির। তবে সরলরৈখিক কোনো কাহিনি নির্মাণ করে না এই উপন্যাস। মরিচঝাঁপিতে আসলে কত মানুষের মৃত্যু হয়েছিল তা নিয়ে বিতর্ক আছে। উপন্যাসটি নানা তথ্য ও গবেষণাকে সন্নিবেশিত করে, ফর্ম নিয়ে নিরীক্ষা করতে করতেই, চেষ্টা করে সেই রহস্য উন্মোচনের। তবে, এসব কিছু অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত দেশছাড়া কিছু পাখিমানুষের ঘর ফিরে পাওয়ার আকুতির এক অবশ্যপাঠ্য মানবিক আখ্যান হয়ে ওঠে পাখিমানুষের ঘর। বাংলা দেশভাগ-সাহিত্যে এই উপন্যাস নি:সন্দেহে এক গৌরবময় সংযোজন।






Reviews
There are no reviews yet.