Description
দশচক্রে ভগবান ভূত হন ’।এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র পিশাচ সাধু। যিনি মুখ দেখে ভবিষ্যদ্বাণী করেন। কিন্তু ভালো কথা তাঁর মুখে আসে না। ভালো কিছু তাঁর চোখে পড়ে না। সে কারণেই হয়তো তিনি নিজেকে পিশাচ বলেন। কিন্তু অনেকে তাঁকে সাধু সাজিয়েছে। অদ্ভুত এই মানুষটাই জড়িয়ে আছেন রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে। তাঁর চার নম্বর বউ বঁড়শি। কিন্তু বঁড়শি বলে , তার বিয়ে হয়েছে এক করোটির সঙ্গে । শুধু কালরাত্রি , ফুলশয্যা হয়নি। তাই তাকে নিয়ে দ্বন্দ্ব অনেক। বঁড়শি নাকি পিশাচ সাধুর আলজিবে গেঁথে আছে। আবার অনেকে বলে , এই বঁড়শিই আসলে পিশাচ সাধুর টোপ। এই টোপেই কি ফেঁসেছে সহজ মিত্র ? একুশ দিনের বেশি এলাকায় থাকে না পরমেশ্বর । নচের অপঘাতে মৃত্যু লেখা । শঙ্কর হীরে পরেছে , ভেবেছিল গোপিনী পাবে । পেয়েছে রোবট কালী। সুজির সন্তানের বাপ কে ? অনেক চরিত্র , অনেক রূপকে ঘিরে থাকা এই উপন্যাসের সময়টা গোলমেলে। বামফ ন্টের বিদায় আসন্ন। চারদিকে যেন মুষলপর্ব। উপন্যাসটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল বর্তমান পত্রিকার রবিবারের পাতায়।







Reviews
There are no reviews yet.