Description
উনিশ ও বিশ শতকে ঔপনিবেশিক সরকারের স্বার্থের সঙ্গী হয়ে কলকাতার ধনাঢ্যগণ জমিদারি শুরু করেন সুন্দরবনে। সেই পর্বে ঠাকুর পরিবারের সঙ্গেও নানা পথে সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছিল এখানকার। পাথুরিয়াঘাটার দর্পনারায়ণ ঠাকুর, গোপীমোহন ঠাকুর প্রমুখ সুন্দরবনের লবণ কারবারে জড়িত হয়েছিলেন। আবার জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারের খ্যাতকীর্তি পুরুষ দ্বারকানাথ ঠাকুর জড়িত হয়েছিলেন লবণ কারবার এবং জমিদারির সঙ্গে।
রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে অবশ্য সুন্দরবনের সম্পর্ক সামান্যই। একবারই তিনি গোসাবা গিয়েছিলেন সমবায় আন্দোলনের প্রচারক লটদার স্যার হ্যামিল্টনের আমন্ত্রণে। কিন্তু একবার হলেও রবীন্দ্রনাথের গোসাবা-ভ্রমণ বিষয়টি ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। দ্বিজেন্দ্রনাথের পৌত্র সৌম্যেন্দ্রনাথের সঙ্গে সুন্দরবনের সম্পর্ক আবার অতি গভীর। জীবনের দীর্ঘসময় তিনি কাটিয়েছেন সুন্দরবনের মাটিতে। সেখানকার গরিব চাষিদের নায়েব-দারোয়ানের অত্যাচার থেকে বাঁচাতে সংগগঠিত করেন তিনি।
গবেষক ড.স্বপনকুমার মণ্ডল ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে অসংখ্য দুষ্প্রাপ্য নথিপত্র সংগ্রহ করে এই গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থটি রচনা করেছেন। ঠাকুরবাড়ির ইতিহাস ও সুন্দরবন চর্চায় গ্রন্থটি অনবদ্য সংযোজন।






Reviews
There are no reviews yet.