Description
দোলের সকালে হঠাৎই ইংলেনের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল দীপ্তর, হল বন্ধুত্বও। দীপ্তকে উপহারও দিল ইংলেন। কাংলা সা। দীপ্ত মহা খুশি হয়ে কাংলা সাকে বাড়ি নিয়ে এল। মিঠাইও খুশি, কিন্তু মা কাংলা সাকে মোটে রাখতেই চাইছেন না, স্পষ্ট বলে দিলেন কাংলা সাকে ফেরত দিয়ে দিতে হবে। ওদিকে সুধাদিদার বাড়িতে চুরি হল। কাঠের আলমারিটা থেকে যা বেরোল, তা দেখে পাড়ার লোকে হাসাহাসি শুরু করল। রাধুবুড়ি, যিনি কথায় কথায় ধাঁধা আর ছড়া বলেন, তিনি আবার বললেন সুধাদিদা নাকি নিজেই ধাঁধায় আবার আললেন মেরাদিন পড়ে আছে নীলও। ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে স্যমন্তকের সঙ্গে ওর ভুল বোঝাবুঝি কিছুতেই মিটছে না। শেষ অবধি কী হবে? কাংলা সা কি থাকবে দীপ্ত, মিঠাইএর কাছে? সুধাদিদা কি ধাঁধার উত্তর খুঁজে পেলেন? নীল আর স্যমন্তকের বন্ধুত্ব কি আবার জোড়া লাগবে? বিজলিদিদি কি ফুটকিকে বরাবরই ওরকম দূর দূর করবে? সুধাদিদার সঙ্গে দেখা করতে চাওয়া লোকটাই বা কে?
দীপ্ত, মিঠাই, নীল, স্যমন্তক, সুধাদিদা আর এদের জীবনে হঠাৎ চলে আসা কাংলা সা – এই নিয়েই ছোট-বড় সকলের পড়ার মতো উপন্যাস ‘কাংলা সা।’






Reviews
There are no reviews yet.