Description
সাদাত হাসান মান্টো
(১১ মে ১৯১২ – ১৮ জানুয়ারি ১৯৫৫) বিশ শতকে দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান লেখকদের অন্যতম। তাঁকে নিয়ে গুগলে যত ওয়েবপেজ আছে তা এই অঞ্চলের আর কোনো লেখকের নেই। নিউ ইয়র্ক টাইমসের আলোচক সুকেতু মেহতা তো তাঁকে শ্রেষ্ঠর সম্মান দিয়েছেন। নানা ধরনের লেখা লিখলেও মূলত গল্পকার। তীব্রতা, জীবনের অমার্জিত রূপ, আবেগবর্জিত পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি গুণে তার গল্পগুলি আলাদা শ্রেণির। টানটান সরাসরি বক্তব্য এবং নাটকীয় পরিণতি, অদৃশ্য কোনো বন্দুকবাজের গুলির মতো। এত বিতর্ক, এত মামলা বোধহয় আর কোনো লেখককে নিয়ে হয়নি। তাঁর এক সচেতন প্রয়াস ছিল পাঠককে নাড়া দেবার, শিরোনাম থেকে ভাষা ব্যবহার সবেতেই। মান্টো ভয়ংকর, তাঁর দুর্দম জেদ প্রতিষ্ঠানের চোখে আঙুল গোঁজার। কলার ধরে ক্ষমতাবানদের বাধ্য করেছেন নিজেদের নোংরা শুঁকতে। বলতেন, তাঁর গল্প যদি
অসহনীয় হয়, তা হলে বুঝতে হবে সময়টাই অসহনীয়। তাই বলে অন্ধকারের ফেরিওয়ালা নন তিনি, সমাজের সবচেয়ে আঁধার মোড়েও খুঁজেছেন মানবতার আলো। তাঁর গল্পের চরিত্রগুলি ভালো-মন্দ, কালো-সাদার সরলীকৃত দ্বৈততায় আবদ্ধ নয়। চেকভ, মপাসাঁর সঙ্গে তুলনা চলে তার। সৎ, সংগ্রামী মানুষের অহংকার, প্রতিভাবানের আত্মমগ্নতা থেকে মুক্ত ছিলেন না। সবসুদ্ধ বর্ণময় চরিত্র। জীবনকথা ও অনুবাদে তাঁকে ধরার চেষ্টা করেছেন জাহিরুল হাসান এই মুঠো পরিমাণ বৈশিষ্ট্যময় গ্রন্থে।







Reviews
There are no reviews yet.