Description
দেশের তিনি তখন সেরা ব্যারিস্টার। ব্যারিস্টার হিসেবে খ্যাতি, সমাজজীবনে প্রভাব-প্রতিপত্তি আর অগাধ অর্থ। সব ছেড়েছুড়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন অসহযোগ আন্দোলনে। তাঁর সেই অসামান্য ত্যাগের সংবাদ নিমেষে ছড়িয়ে পড়েছিল দিগ্বিদিকে। প্রাণিত হয়েছিল বৃহত্তর মানুষ। হ্যাঁ, তিনি চিত্তরঞ্জন দাশ। দেশের মানুষ 1 তাঁকে ‘দেশবন্ধু’ হিসেবে বরণ করে নিয়েছিলেন। দেশবন্ধুর প্রয়াণের পর মহামূল্যবান একটি সংখ্যা প্রকাশ করেছিল ‘বঙ্গবাণী’। পত্রিকাটি প্রকাশিত হত কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের দুই পুত্রের পরিচালনায়। দুষ্প্রাপ্য সংখ্যাটি একালের অনুসন্ধিৎসু পাঠকের হাতে তুলে দেওয়া হল ‘সূত্রধর’-এর ব্যবস্থাপনায়। প্রায় একশো বছর আগে প্রকাশিত এই দুর্লভ সংখ্যাটি হাতে পেয়ে মননশীল পাঠক যে আনন্দে আপ্লুত হবেন, তা বলার অপেক্ষায় রাখে না।
‘বঙ্গবাণী’-র দুর্লভ-দুষ্প্রাপ্য এই সংখ্যাটি উদ্ধার করেছেন পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শিশুসাহিত্যের বিশিষ্ট লেখক তিনি। গবেষক হিসেবেও সুখ্যাত। অবনীন্দ্রনাথের শিশুসাহিত্য নিয়ে পিএইচ-ডি করেছেন। বাংলা ছড়ার বিবর্তন নিয়ে উচ্চতর। -গবেষণা, ডি.লিট উপাধি অর্জন। শিশুসাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে যেমন বই লিখেছেন, তেমনই লিখেছেন ঠাকুরবাড়ি-কেন্দ্রিক বেশ কিছু বই। অবনীন্দ্রনাথের না-ছাপা গ্রন্থের পাণ্ডুলিপি ‘স্বপ্নের মোড়ক’-এর আবিষ্কারক। সাময়িকপত্র নিয়ে গভীর আগ্রহ। অন্তত তেরো-চোদ্দোটি পুরোনো পত্রিকার হারানো রচনা সংগ্রহ করে -গ্রন্থাকারে সম্পাদনা করেছেন। খুঁজে পেয়েছেন ঠাকুরবাড়ি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম বার্ষিকী ‘পার্বণী’। সাময়িকপত্রের প্রকাশ-ধারাবাহিকতা রক্ষা করে লিখেছেন বৃহদায়তন এক গ্রন্থ। সে বইয়ের নাম ‘সাময়িকপত্র প্রসঙ্গে’।






Reviews
There are no reviews yet.