Description
তিনি যে যুগের মানুষ, সে যুগকে তিনি আত্মস্থ করতে পারেন এবং সেই সময়কে নির্মাণও করতে পারেন। ‘কল্লোল’ পত্রিকার নামে যে যুগের সৃষ্টিকে তিনি চিহ্নিত করেছেন-আপাত দৃষ্টিতে তাই মনে হয়। আসলে তিনি সেই কল্লোলিত সময়ে নিজেও উথাল-পাথাল করেন। তাঁর একটা বিধিবদ্ধ জীবন ছিল। কিন্তু তা কখনও গতানুগতিক ছিল না। আইন-কানুন নিয়ে তাঁর কারবার, সেই কারবারের সুদ হল তাঁর রচনা। দলিলপত্রে লেখা হয়ে থাকে ‘কস্যচিৎ কার্য্যাঞ্চাগে’। আমি তার মানে বুঝতে পারি না। দরকার কি সেই বাগর্থে। কিন্তু সেই দলিলে তিনিও স্বত্বাধিকারী। তাই ইসাদি-বাদী-প্রতিবাদী-খং, দং-এর খোল ফেলে দিয়ে এক ভর্তি আদালতের গন্ডগোলের বাইরে অমুক সেখ, তমুক দলুইরা কখনও অণিমা, কখনও মাধুরী, কখনও সোমনাথ, কখনও পাগল বা বিলাসী এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শরীরী লালসার লুকানো-ছুপানো রঙ-বেরঙি জীবনচর্যা। কল্লোল আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-লোভ এবং লালসা, তাই নিয়ে পটলডাঙার পাঁচালি, তাই নিয়ে আবার বিশ্বসাহিত্যকে আপন সাহিত্যের সম্ভার-নির্মাণ।…







Reviews
There are no reviews yet.