Description
শহরের এক নামী সরকারি হাসপাতালে নাইট ডিউটি করছিল হাউস স্টাফ রোহিণী। আপ্রাণ চেষ্টা করেও সেই রাতে তাকে ফোনে ধরতে পারল না প্রেমিক ভ্রমণ। সাত সকালে হাসপাতাল থেকে একটা ফোন এল রোহিণীর বাড়িতে। রোহিণীর বাবা প্রবাল ধরলেন। উল্টোদিক থেকে বলা হল, ‘আপনার মেয়ে অসুস্থ। তাড়াতাড়ি চলে আসুন।’ স্ত্রী তপতীকে নিয়ে পড়িমরি করে মেয়ের কর্মস্থলে দৌড়োলেন প্রবাল-তপতী। কী হয়েছে তাঁদের ডাক্তার মেয়ের?
ঠিক কী চলে হাসপাতালগুলোর ভেতর? কীভাবে বিভিন্ন দুষ্টচক্র গ্রাস করে ফেলেছে পুরো চিকিৎসাব্যবস্থাকে?
একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবেন প্রবাল-তপতী? কীভাবে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব? কোনওদিন কি সুবিচার পাবেন তাঁরা? প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন শহরে যে হাজার হাজার মেয়ে বিভিন্ন পেশায় নাইট ডিউটি করেন, তাঁরা কীভাবে বাঁচেন ঝোপে-ঝাড়ে অসৎ উদ্দেশ্যে লুকিয়ে থাকা নররূপী পশুদের হাত থেকে?
একটি মেয়ের ধর্ষণ ও হত্যা থেকে কীভাবে তৈরি হয় বিরলতম এক আন্দোলন, যেখানে হাজারে হাজারে মেয়ে রাত জাগেন রাস্তায়?
‘এই সময়’ শারদীয় সংখ্যায় বেরিয়েছিল অমেরুদণ্ডী। খুব সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক ঘটনার পটভূমিতে লেখা এই উপন্যাস আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে দেয় আমাদের, মেরুদণ্ড ধরে দেয় ঝাঁকুনি।






Reviews
There are no reviews yet.