Description
“আমি বিদ্রোহ, আমি আদি, আমি অনন্ত, আমি অসীম। আমি বাংলা, আমি ভারত, আমিই বাংলাদেশ, আমিই মৈত্রী। শত শত হিন্দু ও মুসলিম ছাত্রছাত্রী আমার শক্তি। শত শত বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা আমার প্রেরণা। এটিই আমার মহাবিদ্রোহের বিশ্বরূপ।” ঠিক এই কথাগুলি এক অলৌকিক বাতাবরণে এক মহামানবের মুখ থেকে বেরিয়ে আসতে থাকে। আর এই অতিপ্রাকৃতিক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে থাকে হিন্দু, মুসলিম আর খ্রিস্টান সত্তার এক মৈত্রীরূপ! এদেরই একজন জালিম, নবাবি ইতিহাসের পাতার জালিম সিংহ। সে ছিল রাজপুত বীর বিজয় সিংহর সন্তান। গিরিয়ার যুদ্ধের মাধ্যমে সুদক্ষ রাজনীতিবিদ আলিবর্দী খাঁ সেবারে বাংলার মসনদে বসবার প্রহর গুনতে শুরু করলে এই নবমবর্ষীয় বালকটির সাহস দেখে তিনি মুগ্ধ হন। বালকটি সেই উত্তাল সমর ময়দানে নিজ পিতার মৃতদেহ আগলে একটি ছোটো অসি উত্তোলন করে শত্রুপক্ষকে বাধা দান করছিল। এই দৃশ্যই হবু নবাবের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। আর এখান থেকেই গল্পের শুরু। এই জালিম সিংহর মুখেই উঠে আসতে থাকে নবাব মুর্শিদকুলি থেকে নবাবি রাজত্বের যাবতীয় ইতিহাসকথন। আর তখনই মূল উপজীব্য হয়ে ওঠে সিরাজউদ্দৌলার গল্প। কিন্তু এই দুশো বছরের প্রাচীন এ দীর্ঘ ইতিহাস অধ্যায়, সঙ্গে বঙ্গবন্ধু এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সংযোগ কীভাবে গল্প প্রাঙ্গণে এসে পড়ে? পলাশি থেকে ধানমান্ডির এই কাল্পনিক যাত্রাপথে কী কী ঘটতে থাকে? কোন কোন ইতিহাসসিদ্ধ চরিত্র এই যাত্রাপথটিকে আরও আরও সুদৃঢ় করে তোলে? মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র, সাধক রামপ্রসাদ, বেগম সমরু আর ওয়াজির আলিরা এখানে কী ভূমিকা পালন করেন? কী-ই বা এই হিন্দু-মুসলিম-খ্রিস্টান সত্তার মৈত্রীরূপ? বাংলার বহুলচর্চিত হতভাগ্য নবাব সিরাজউদ্দৌলার সম্পূর্ণ ঘটনাবহুল জীবনশৈলী কীভাবে উপন্যাসের মূল আকর্ষণ হয়ে ওঠে? আর সবশেষে বঙ্গবন্ধু কীভাবে মূল চরিত্র হয়ে ওঠেন? এসবের উত্তর দেবে এই হিস্টোরিক্যাল ফ্যান্টাসি।






Reviews
There are no reviews yet.