Description
ইন্দিরা এক সাধারণ গৃহবধূ। একান্নবর্তী পরিবারে সকলের মন জুগিয়ে চলতে চলতে তার যৌকন ফুরিয়েছে। আজ সে টেনে। অনেকটা সময় সংসার করার পরেও স্বামী রূপকের মনের মতো ঘরণী হতে পারেনি সে। হতে পারেনি মেয়ে ঐশীর পছন্দের মা। সংসারের ফোয়ার টানতে টলতে ক্লান্ত ইন্দিরা নিজের মুক্তি খুঁজে নিতে আশ্রয় নেয় সাদা কালো অক্ষরের। নতুন নতুন সোশ্যাল মিডিয়া শিখে সে ডিজিটাল দেওয়ালে লিখতে শুরু করে এক প্রেমের উপন্যাস।
সেই উপন্যাসে আছে অগ্রদর্শনী স্বর্ণসী তার প্রেমিক নকশাল নেতা দেবেশ এবা সত্তরের দশকের কলকাতা সহ মফল এলাকার চিত্র।
উপন্যাস লিখতে লিখতে তার সঙ্গে একান্ত ভাবে একাত্ম হয়ে যায় ইন্দিরা। সব চরিত্রগুলোকে যেন বাস্তবে অনুভব করে সে।
স্বর্ণালীর অসমাপ্ত প্রেম আর ইন্দিরার অসবদ দাম্পত্র কি কোন ভাবে সম্পর্কিত।
কেন রূপক এতগুলি বছরেও মন থেকে আপন করে নিতে পারল না নিজের স্ত্রীকে? কেনই বা ঐশী নিজের মা কেই খুব একটা পছন্দ করে না।
সৌহার্দ্য নামের অনাথ ছেলেটিকে কেন আগলে রাখতে চায় কুন্ডু বাড়ির বড় বউ ইন্দিরা কুন্তু সকলের অমতে গিয়েও? কে এই সৌহাদ্য আর কেনই বা কুচু বাড়ির কেউ পছন্দ করে না তাকে। সব প্রশ্নের উত্তর রয়েছে উপন্যাসের পাতায় পাতায়। ‘অসমাপ্ত বসন্ত’ কেবলই এক গ্রেমের আখ্যান নয়, এই বহুস্তরীয় উপন্যাস প্রবাহির হয়েছে এক শতাব্দী থেকে আর এক শতাব্দীতে, এই উপন্যাসের চরিত্ররাও চিত্রিত হয়েছে মনস্তত্বের নানা রঙে। মীনাপ্রবাহও সজ্জিত হয়েছে জটিল সামাজিক অলিগলি যেয়ে।









Reviews
There are no reviews yet.