Description
আটাঙ্গীর হাটে ভেসে আছে সেই প্রণয়ের চিহ্ন, রজত বিনতা, সোমবারি সোরেন মুচিরাম মুরমু। সোমবারির বাবা উচচার সোরেন জেলে, তার কি মুক্তি হবে না? এই হাটে মানুষের সঙ্গে মানুষের প্রণয়, পত্র বিনিময়, বিপ্লবের দিনে আটাঙ্গীর হাটে খবর আসত বিপ্লবীরা থাকবে কোন জঙ্গলে, কোন অঞ্চলে। এই হাট থেকে পুলিশ ভুল খবর পেয়ে হয়রান হত। গোপনে মৃত পুত্রের লাশ পুড়িয়ে বাবা অপেক্ষা করে মা অপেক্ষা করে, পুলিশের লোক নজর রাখে সে ফিরল কি না। জেরায় বিপ্লবীর বাবা সৃষ্টিধর বলে, সে গিইছে বিপ্লবে, কবে ফিরবে জানা নেই। ৫০ বছর বাদে আটাঙ্গীর হাটে ফিরে আসে প্রণয়ী। সব বদল হয়ে গেছে, কিন্তু হাটটি রয়ে গেছে মহাসড়কের গায়ে। এই রাস্তায় ছিল জঙ্গলের কুলিপথ। তাইই ছিল প্রণয়ের পথ। তা গেছে হারিয়ে। লেখক নতুন পথে যেতে চান, যে পথে কেউ পা রাখেনি। সেই পথে পথে আটাঙ্গীর হাটে পৌঁছেছেন। এই কাহিনি পুরাতন প্রেম নতুন উদ্ভাসে সত্য হয়েছে।







Reviews
There are no reviews yet.