Description
রাঢ়ের রঘু ডাকাত কিংবা জেবনা ডাকাত সবাই ছিলেন মাতৃ সাধক। ডাকাত মনসুর, ডাকাত সর্দার চাঁদ, ডাকাত ভৈরবরাও মা কালীর পুজো করতেন। সে যুগের অন্ধকার পথের সাধকরাই কালীর সাধক এবং তাঁর পুজোর ধারক ও বাহক। বঙ্গের শক্তি সাধনার ইতিহাসের রত্নক্ষচিত আলোক উজ্জ্বল অধ্যায়টির সুত্রপাত অন্ধকার পথের সাধকদের হাত ধরেই। সেই অশুভ শক্তি, অশুর বা সৃষ্টি বিরোধী শক্তির বিনাশের জন্যই মাতৃশক্তির আরাধনা। আজও বাংলার গ্রামে গ্রামে খোঁজ করলে জানা যায়, রায়বেঁশে শিল্পী, কাহার শিল্পী, ঢেকারো কামাররা, এমনকি বহুরূপী শিল্পী পরিবারে পরিবারে কালী পুজোর চল রয়েছে। রাঢ়ের বিভিন্ন অঞ্চলে রয়েছে ডাকাত সর্দার প্রতিষ্ঠিত কালী। আরম্বর ও জাঁকজমকে সে উৎসব আজ সর্বজনীন উৎসবের রূপ নিয়েছে। বীরভূম জেলার দেখুড়িয়া, উদয়পুর, নিরিশা, চিনপাই, ইন্দ্রগাছা, মল্লিকপুরের সঙ্গে একই সাথে লাভপুর থানা এলাকার বাকুল, ফেউগ্রাম, মহেশপুর, রানিপাড়া, বাঁশপুর, দোনাইপুর, গোমাই, জুবুটিয়া, কোতলঘোষার মতো গ্রাম গুলোতে কালী পুজো হয়। সূদুর অতীতে বাংলাদেশের প্রায় সমস্ত এলাকায় ডাকাতদের উপদ্রব ছিল। সেই সব নানা স্থানে রয়ে গেছে ইতিহাসের ডাকাত কালীরা।







Reviews
There are no reviews yet.