Description
ঢাকার কলতাবাজার সংঘর্ষে বহুক্ষণ লড়াই চালাবার পর গুলিতে মারাত্মক আহত হয়ে নলিনী বাগচী ও তারিণী মজুমদার (১৮৯২-১৯১৮) দুজনে সেদিনই শহীদের মৃত্যুবরণ করেন। নলিনী বাগচী মৃত্যুর সময়ও নিজ নাম প্রকাশ করেননি—কেউ তাঁকে জানুক, তা তিনি চাননি। বিপ্লবী ত্ৰৈলোক্য মহারাজের ভাষায়— “বিপ্লবী জিতেশচন্দ্রের সহিত আমি পলাতক অবস্থায় এবং জেলে একত্র ছিলাম। …ব্রিটিশ আমলে প্রকাশিত তাহার প্রথম গ্রন্থ ‘বিপ্লবী বীর নলিনী বাগচী’ সে যুগে এত আলোড়ন তুলেছিল যে প্রায় প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই তাহা সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়।






Reviews
There are no reviews yet.