Description
চিত্রশিল্পী প্লাবন উত্তর কলকাতার এক সচ্ছল, একান্নবর্তী পরিবারের যুবক। আনমনা প্লাবনের প্রেমিকা। একমাত্র সন্তান সে। দক্ষিণ কলকাতায় তাদের বাড়ি। আনমনাকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে বাবা-মা। আনমনা তার সম্পর্কের কথা জানাতে পারছে না বাড়িতে। কারণ প্লাবন তাকে গভীরভাবে ভালোবাসলেও বিয়ের ব্যাপারে পিছিয়ে যাচ্ছে। বাড়ির চাপে এবং প্লাবনকে সতর্ক করতে প্রথমবার পাত্রপক্ষের সামনে বসে আনমনা। পাত্র শ্লোক বিদেশে অধ্যাপনা করে। আনমনাকে তার খুবই পছন্দ হয়। আনমনা প্লাবনকে বলে শ্লোকের কথা। এতদিন ধরে চেপে রাখা কথাটা প্লাবনকে বলে ফেলতেই হয়। প্লাবনের রাঙাকাকা যুবক বয়সে চাকরির সন্ধানে মধুপুরে যান। বছর খানেক পর যখন ফিরে আসেন, তাঁর পরনে শাড়ি এবং মস্তিষ্ক বিকল। তবে এসরাজ বাজান অপূর্ব সুন্দর! এই উদ্ভট মানুষটিকে ঘিরে বাড়িতে হইচই, পাড়ায় ঠাট্টা-মশকরা লেগেই থাকে। একটা স্বাভাবিক ছন্দের বাড়ির মেয়ে আনমনা, তাকে বিয়ে করে প্লাবনদের এই বিদঘুটে পরিবেশের বাড়িতে আনা কি উচিত হবে? এদিকে প্লাবন তাদের বাড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও থাকতে পারবে না। বাড়ি তার অস্তিত্বের একটা অংশ। সমস্তটা জেনে আনমনা রাঙাকাকাকে দেখতে যায়। রাঙাকাকার এসরাজের সুরে যেন কোনও মর্মান্তিক কাহিনির ইশারা। প্লাবন, আনমনা মোহগ্রস্থের মতো কাহিনির উৎস সন্ধানে বেরিয়ে পড়ে। পৌঁছে যায় এমন এক সত্যে, যেখানে বিরহের অপর নাম ভালোবাসা।









Reviews
There are no reviews yet.