Description
আজ রাজপুতনা ভারতের অন্যান্য প্রদেশের মতই এক প্রদেশ ছিল। আজ আমরা প্রদেশ বলি না, বলি রাজ্য। কিন্তু এক সময়ে শৌর্যে-বীর্যে-গৌরবে রাজপুতনা ছিল ভারতের মুকুটমণি। এখানকার শিশু মার কোলে বসে বীরত্বের গান শুনতে শুনতে প্রাণ মন ভরে উপলব্ধি করত সে সুখ শয্যায় শুয়ে কঁকিয়ে-কাতরে মরাটা মানুষের যোগ্য পরিচয় নয় – যারা দেশ আক্রমণ করতে এসেছে, দেশের স্বাধীনতা ধ্বংস করতে এসেছে বা কোন ক্রমে দেশের মাথায় তুলে দিতে এসেছে অসম্মান অপমানের ভার, তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে প্রাণ দেওয়াটাও তুচ্ছ বরং সেটাই গৌরবের। যিনি এভাবে প্রাণ দিতেন তার জন্য কাঁদত না কেউ বরং তার জন্য গর্ব বোধ করত সবাই। তারা জানত মুখে যে কথা বলা হবে, প্রাণ দিয়েও তা পালন করতে হবে। তাদের বন্ধুত্ব ছিল প্রাণাধিক, শত্রুতা ছিল জীবন- সর্বস্ব দিয়ে। তারা আর্তকে আশ্রয় দিত এবং তাকে যে কোন মূল্যে রক্ষা করতো। তারা অতিথিকে মানত দেবতার মতো। তারা যুদ্ধক্ষেত্রে যোদ্ধা, অন্য সময়ে শত্রুকেও বন্ধুর মত আপ্যায়ন করত। আমরা এ আদর্শ পুরাণে, রামায়ণ মহাভারতে পাই। মহাভারতের যুগে যে সব অগণ্য রাজা মারা যান, তাদের পুত্রেরাই এ অঞ্চলে বাস করত। তাই ‘রাজপুত্র’ কথাটা থেকেই রাজপুত জাতি আর তাদের বসবাসের অঞ্চলটাকে রাজস্থান, রাজবারা, রায়থান ইত্যাদি নামে অভিহিত হয়েছে। ইংরেজরাই এর নাম দেন রাজপুতনা।








Reviews
There are no reviews yet.