Description
রবীন্দ্র জীবনের অস্তাচলমুখী পর্বে রবীন্দ্রসংগীত সম্পর্কে প্রথম পূর্ণাঙ্গ একটি বই লেখেন শান্তিনিকেতনের শান্তিদেব ঘোষ। সে বই পড়ে, সন্তুষ্ট হয়ে, গীতিকার স্বয়ং তাঁর কম্পিত হস্তাক্ষরে আশীর্বাণী লিখে দেন, যা ওই বইটির শিরোভূষণরূপে মুদ্রিত। তাঁর প্রয়াণের পর রবীন্দ্রসংগীত বিষয়ে দুই বাংলায় অজস্র বই বেরিয়েছে। এই ধারায় নব সংযোজন ‘এলেম নতুন দেশে’।একদিক থেকে ভাবলে মনে হবে যেন রবীন্দ্রসংগীত এক অজানা দেশের অচিন মনের ভাষায় রচিত অভিনব উদ্ভাসন। বিশেষ করে সেই গানের ক্রমাগ্রসর চিত্তভূমি ও নবীন উৎসার বারেবারেই নতুন, ফিরে ফিরেই নতুন। তাঁর সৃজনশীল মনের অন্তর্দেশ আজও অনাবিষ্কৃত অথচ আকর্ষণীয়। তাই তাঁকে আর তাঁর গানকে জানা আমাদের ফুরাবে না।‘এলেম নতুন দেশে’ বই এক নতুন ভাষাশৈলীতে গড়া অন্তর্দীপ্ত রচনা। লেখকের ধারাবাহিক রবীন্দ্রচর্চার সদ্যতন নিবেদন। জীবনপ্রান্তের অনুভব আর বহুদিনের জানা বোঝা এখানে যুগলবন্দি। যার শেষ নেই সেই বাণীবন্ধের সম্পর্কে শেষকথা কে বলবে ?
সুধীর চক্রবর্তী-র জন্ম ১৯৩৪ শিবপুর হাওড়ায়। ১৯৪২ সাল থেকে কৃষ্ণনগরের স্থায়ী বাসিন্দা এবং স্নাতক স্তর পর্যন্ত সেখানেই পাঠগ্রহণ। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ বঙ্গভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে। অধ্যাপনা করেছেন ১৯৫৮ থেকে ২০১২ পর্যন্ত তিনটি কলেজে ও দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে। সংগীত বিষয়ে সাতটি বই প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি টেগোর রিসার্চ ইনস্টিটিউট থেকে পেয়েছেন ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধি। সমাজবিজ্ঞান, শিল্প, সাহিত্য, জনসংস্কৃতি, লোকধর্ম ও সংগীত বিষয়ে বহুদিনের চর্চা ও গবেষণার জন্য পেয়েছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ও এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে সম্মান ও স্বর্ণপদক। ‘বাউল ফকির কথা’ বইয়ের জন্য ২০০২ সালে পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং ২০০৪ সালে পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি সম্মান। কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ সংস্থায় সম্মানিত অধ্যাপক। প্রয়াণ : ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০।






Reviews
There are no reviews yet.