Description
এই বই আসলে প্রেমের গল্প। কলকাতাকে ভালবাসার গল্প। ব্রিটিশদের হাতে তৈরি এই কল্লোলিনী তিলোত্তমার অলিতে গলিতে যেসব রেস্তোরাঁ কিংবা ডাউন মেমোরি লেন দিয়ে হেঁটে সেইসব পানশালা, মধুশালা কিংবা পাইস হোটেলেরও অতীতকে ফিরে দেখা। এই শহরের কিংবা বাঙালির সবচেয়ে আইকনিক অভিনেতা আজ থেকে অর্ধ শতাব্দী আগে তাঁর সবচেয়ে সাহসী সাক্ষাৎকারে যে তিনটি পছন্দের কথা বলে গিয়েছিলেন সেগুলো আজও কতটা বঙ্গভূমকে আলোড়িত করে! কোন চাষের দোকানে এখনও মধ্য রাতে ভিড় জমে? কোন দোকানের চিংড়ির কাটলেট আজও রাজনীতিক কিংবা সেলিব্রিটিদের সমান প্রিয়? কিংবা পার্ক স্কিটের কোথায় আলো-আঁধাবরিতে হয়তো চুমুও খেয়ে নেওয়া যায়। সেই কারণেই এই বইয়ের পাতায় পাতায় আছে সত্যজিৎ রায়ের প্রিয় আড্ডা দেওয়ার জায়গা থেকে টালিগঞ্জের সেলিব্রিটিরা কোন্ দোকানে টোস্ট আর ঘুগনি দিয়ে বিকেলের জলখাবার সারতে ভালবাসতেন, তার বিবরণ। আবার উত্তরের গোলবাড়ি থেকে দক্ষিণের আপনজন, যা আসলে শহরের ল্যান্ডমার্ক হয়ে গিয়েছে সেগুলির কথাও রয়েছে এই বইতে। যে-শহর থেকে চাকরি চলে যাওয়া ব্রিটিশ যুবক হংকং এ গিয়ে যে ব্যবসা শুরু করেন, যে এয়ারলাইনস চালু করেন তা ই পরবর্তীকালে ব্রিটিশ এয়ারলাইনস হয়ে যায়, সেই শহরের নস্টালজিয়া, রোমান্স আর চর্বচোষা যাওয়ার গল্প আসলে এই “ফুড পদাবলী”। শহরের এই আখ্যানে তাই ওয়াজেদ আলি শাহ কীভাবে বদলে দিয়েছিলেন কলকাতার ফুড ম্যাপ, শতাব্দী প্রাচীন রয়্যাল থেকে আজকের অবধি খাবারের ঠিকানা ‘অউষ ১৫১০’-এর কথাও এসেছে।







Reviews
There are no reviews yet.