Description
যার নাম হেম। হেমগ্রন্থ আসলে হেমের গল্প। কিম্বা গল্প নয়। লেখকের অনন্য সুন্দর লেখনী থেকে ঝরে পড়া সুরসুধা যে বিন্দু বিন্দু মুক্ত সৃষ্টি করে, সেই প্রেমগাঁথা হল হেমগ্রন্থ। বয়ে চলা সময় স্রোতে ভিন্ন ভিন্ন সুরে বুনে চলা একাকী সঙ্গীত হল হেমগ্রন্থ। যে সঙ্গীতে বিভোর পাঠক কখন যেন অনুভব করে সে আসলে সিক্ত হয়েছে হেম নদীর জলে।
ইন্দু হল শৈশব। যে শৈশব সব উচ্চারণ করতে পারে, শুধু কৃষ্ণ বলতে পারে না। ইন্দু কিন্ন বলে। নাকি বলে ভালোবাসা। যে ভালোবাসা সে দেখেছিল পাথর হয়ে যাওয়া মন্দারের চোখে। হয়ত শুধু এ জন্মে নয়, হয়ত জন্ম জন্মান্তর ধরে। ইন্দু গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসে শুনতে পায় সেই শ্বেতপরিটার কান্না, যে পরিটাকে কেউ ভালোবাসে না বলে সোনার বাগান ছেড়ে উড়ে গেছে আকাশে। আর তারপর বিভাবরী দেবীর ছবির মধ্যে খুঁজে পায় সেই পরিকে। অথবা নিজেকে। গল্পের যেখানে পেয়ারা গাছের নিচে লাল পাড় সাদা শাড়ি দেখে “কে”? জিজ্ঞেস করছেন বিষ্ণুবাবু অথবা মন্দার যখন সেই পেয়ারা গাছের নিচেই দাঁড়িয়ে জমিদারবাবুর সাথে কথা বলছে, এবং শ্মশানের দিকে যখন ইন্দু এগিয়ে চলছে বিষ্ণুবাবুর ডাক না শুনে, এই সময়গুলোতে পাঠকের চোখের পলক পড়ে না সত্যি বলতে। এক অমোঘ চুম্বকীয় আকর্ষণে পাঠক জুড়ে থাকে ইন্দু গল্পের সাথে, শেষে কী হবে?







Reviews
There are no reviews yet.