Description
ভারতবর্ষে তত্ত্বদর্শীদেরই নাম ছিল “কবি”।
ক্ষুরের ধারের মত দুর্গম যে সত্যে পৌঁছবার পথ একথা তো “কবয়ো বদন্তি”। কবিরাই অনুভব, মুক্তি, কল্পনা দিয়ে নিজের মনের সঙ্গে বিতর্ক বিচার করে সংশয়তিমির মাঝে পথ হারিয়ে আবার ধ্যানের দ্বারা নিজেদের প্রজ্ঞানঘন আত্মাকে ডেকে “প্রেম
আলোকে” জণাৎকে, জড়-চেতন সর্বভূতকে নতুন করে চিনে অথবা নিজের জানা বোঝার অহংকারকে তর্কতাণ্ডবের দ্বারা চুরমার করে নিঃস্বভাব কালাতীত শূন্যতার মধ্যে থেকে অন্য সকলের সব দুঃখ কমানোর জন্য হাজার হাজার শ্লোক লিখে গেছেন। নাগার্জুনের মত বৌদ্ধ আচার্য, কুমারিলের
মত মীমাংসক, জয়ন্তভট্টের মত নাট্যকার নৈয়ায়িক, উৎপলদেবের মত শিবভক্তিতে গদগদ কাশ্মীরি প্রমাণ প্রমেয় চিন্তক, শ্রীহর্ষের মত কবিতার্কিক যখন পদ্যেই দর্শন রচনা করেছেন তাহলে যুক্তিময়ী কল্পনা কেন তর্ককাব্যরূপ পাবে না?
সাম্প্রতিক এবং চিরন্তন শরীরমনবুদ্ধি আবেগ থেকে উৎসারিত ছন্দমিলযুক্ত এই বারোটি পদ্যপ্রবন্ধ এবং আরো কতক কবিতাগুচ্ছ তাই কাব্য ও দর্শনের মধ্যবর্তী এক “উভয়ভারতী” হিশেবে নিবেদিত হল।







Reviews
There are no reviews yet.