Description
পলাশীর আমবাগানের শিকার বাড়ি সংলগ্ন প্রান্তরে যুদ্ধর নাটকীয় পরিসমাপ্তি ঘটেছে।
পরাজিত নবাব সিরাজ যুদ্ধক্ষেত্র ত্যাগ করে মুর্শিদাবাদ ফিরে এসে হীরাঝিল প্রাসাদ থেকে যাত্রা করেছেন অজানা কোনও স্থানের দিকে। ‘তখত-ই-মুবারক’ বাংলার সিংহাসন আজ শূন্য। অন্ধকারাচ্ছন্ন বাংলার শূন্য মসনদের রাত্রি। নিশুতি-নিস্তব্ধ রাত্রি হলেও নবাবহীন এই রাতে কেউ কেউ এখনও জেগে। তাদের ষড়যন্ত্র এখনও শেষ হয়নি, সে কাজেই এখনও নিয়োজিত তাঁরা। তমসাচ্ছন্ন শূন্য সিংহাসনের রাত্রিতে অশ্বপৃষ্ঠে এগিয়ে চলেছেন এক ব্যক্তি। তাঁর ডাক এসেছে এক প্রাসাদ থেকে। অশ্বারোহীর পরিচয় কী? কে তিনি? কার ডাকেই বা তিনি বিপদসঙ্কুল অন্ধকার রাতে-সাড়া দিতে চলেছেন? যার আহ্বান তিনি উপেক্ষা করতে পারছেন না শূন্য সিংহাসনের রাতগুলোতে। বাংলার ইতিহাসে বিস্মৃতপ্রায় পাঁচটি শূন্য সিংহাসনের পাঁচ রাত, যে রাতগুলি হয়তো ঠিক করে দিয়েছিল বাংলার মসনদ তথা বাংলার কিবা ভারতবর্ষের ইতিহাস। যে পাঁচ রাতের কথা ইতিহাসে তেমন ভাবে লেখা নেই, লেখা নেই এক ব্যক্তির কথা। যিনি অশ্বপৃষ্ঠে এগিয়ে চলেছেন এক অজানা ভবিতব্যের দিকে। হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্তর কলমে পাণ্ডুলিপি থেকে সরাসরি ও বইয়ের পাতায় প্রকাশিত ইতিহাসআশ্রিত উপন্যাস-জাফরাগঞ্জ বাংলার শূন্য সিংহাসনের পাঁচ রাত।







Reviews
There are no reviews yet.