Description
খিচিং- একটা জায়গার নাম। নামটা বড়ই অদ্ভূত। এই খিচিং ছিলো একসময় ময়ূরভঞ্জ রাজাদের রাজধানী। সেই আমলের রাজবাড়ি এখনো বিদ্যমান খিচিংয়ে। কিন্তু রাজবাড়ির অবস্থা খুব খারাপ। আগের সেই জৌলুস এখন আর খুজেঁ পাওয়া যায় না। কাকাবাবু, সন্তু আর জোজোরা সেই খিচিংয়ে এসেছে কিরণচন্দ্রভঞ্জদেও এর নিমন্ত্রণে। ভঞ্জদেওদের বাড়িটা এককালে মস্ত বড় প্রাসাদ ছিলো তা কাকাবাবু সন্তু কিংবা জোজোকে না বললেও তারা বুঝতে পেরেছে। কিরণচন্দ্ররা রাজ পরিবারের লোক হলেও বর্তমানে তাদের আর্থিক অবস্থা খুব উন্নত না। সে যাই হোক, কাকাবাবুর মূলতঃ খিচিংয়ে আসার কারণ হলো, ইতিহাসের কিছু তথ্যেরর যাচাই-বাছাই করা। আমরা সবাই জানি, ১৮৫৭ সালে ভারতবর্ষের সিপাহী বিদ্রোহের কথা। সিপাহী বিদ্রোহের প্রধান নেতা মঙ্গল পান্ডেকে প্রথমেই মেরে ফেলা হয়, ঝাসিঁর রানি লসমিবাই আত্মহত্যা করেন, দিল্লির বাহাদুর শাহকে নির্বাসন দেয়া হয় আর বিঠুরের নানসাহেব- তাঁর যে কি হয় কেউ তা জানে না। কাকাবাবু সেই তথ্যই খুজেঁ বেড়াচ্ছেন। অনুসন্ধানের একটা পর্যায়ে তিনি জানতে পারেন, নানসাহেব খিচিংয়ের রাজপরিবারে এসে কিছুদিন ছিলেন। তারই সত্যতা যাচাই করতেই কাকাবাবুর খিচিং আগমন। কাকাবাবু তার আগমনের কারণ গোপন রাখতে চান বরাবরের মতোই। কিন্তু পারেন না। কাকাবাবু ঝামেলা এড়াতে চাইলেও ঝামেলা তার পিছু ছাড়ে না। খিচিং পৌছাতেঁই কে বা কারা গুজব রটিয়ে দিয়েছে, কাকাবাবু সিন্দুকের রহস্য উদঘাটন করতে এসেছেন। এমনকি কাকাবাবুদের ক্ষতি করতেও উঠে-পড়ে লেগে গেলো তারা। অথচ কাকাবাবু জানেনই না কিসের সিন্দুক, কার সিন্দুক। কাকাবাবুরা খিচিং যাওয়ার আগেরদিনই এই রাজবাড়ির কাছের এক পুকুর থেকে এক বিরাট বড় সিন্দুক পাওয়া গিয়েছে। সবার ধারণা, কাকাবাবু সিন্দুক রহস্যের কাজেই খিচিং গিয়েছেন। তবে কাকাবাবুর সিন্দুক নিয়ে আগ্রহ না থাকলেও রহস্যের সমাধান তো আর কাকাবাবুকে ছাড়া হবেনা। সেই সিন্দুক রহস্যের কাহিনী নিয়েই লেখা “কাকাবাবু ও সিন্দুক রহস্য” বইটি।






Reviews
There are no reviews yet.