Description
১৯১৭ সালের গোড়ায় আমেরিকার নেব্রাস্কার লিংকন শহরে রবীন্দ্রনাথ বক্তৃতা দিতে গিয়েছেন। সেখানের অধিবাসীরা শান্তিনিকেতন স্কুলের ছাত্রদের একটি ছাপাখানা উপহার দিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলার কারণে অনেক কাঠখড় পোড়ানোর পর সেটি দেশে এল। এদিকে ইংরেজ সরকার ছাপার অনুমতি দিতে গড়িমসি করে কারণ কবি কোন কবিতায় বা বক্তৃতায় শাসককে আক্রমণ করে লেখা ছাপেন কে জানে! শেষে অনুমতি মিলল। কলকাতা থেকে সুকুমার রায় শান্তিনিকেতনে গেলেন নিমাই, বিষ্ণু ও অন্যদের ছাপার কাজ শেখাতে। ছাপাখানা চালু হতে রবীন্দ্রনাথের মনে হলো একটা প্রকাশনা করা দরকার যা ইউরোপ আর মধ্যপ্রাচ্যের অনুকরণ ছেড়ে দেশীয় রূপ পাবে। ১৯২৩-এ প্রতিষ্ঠিত হলো বিশ্বভারতী গ্রন্থনবিভাগ। বাংলা বইয়ের রূপ, রং, আকার, বিন্যাস, বিবরণ, বিজ্ঞাপন ইত্যাদিতে আমূল পরিবর্তন ঘটল। বর্তমান বইটিতে বিশ্বভারতী ছাপাখানা ও প্রকাশনার বাইরে আরও আঠারোটি লেখা আছে। তাতে রয়েছে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরের পাঁচ সপ্তাহ রবীন্দ্রনাথ কী করেছিলেন, কীইবা লিখেছিলেন সে কথা। এছাড়াও আছে পুলিনবিহারী সেন, নবকান্ত বরুয়া, বিনোদিনী দেবী, রঘুমণি শর্মা, আমিনউদ্দিন, স্বপন গুপ্ত ও সূর্যদাদার মতো মানুষদের কথা যাঁরা রবীন্দ্রনাথকে হৃদমাঝারে ধরে রেখেছিলেন।






Reviews
There are no reviews yet.