Description
‘জীবনে ঋদ্ধি সিদ্ধি কে না চায়। কৃষিভিত্তিক সভ্যতায় ঋদ্ধি বা সমৃদ্ধির ভিতটা ছিল অন্নে। সেই সূত্রে পৌরাণিক প্রকৃতিপূজায় ধান লক্ষ্মীর মর্যাদা পেয়েছে সেই কতকাল আগে। তারও অনেক আগে মূল বেদেই লক্ষ্মীর বেশ সমাদর দেখা গেছে। সেখানে তিনি ছিলেন ‘শ্রী’, যার অর্থ হল সৌন্দর্য। ঋগ্বেদ অবশ্য ‘লক্ষ্মী’ শব্দটি প্রয়োগ করেছেন। ‘ভদ্রেযাং লক্ষ্মীনিহিতাধি বাচি।’ যজুর্বেদে ইনি দেবী। উপনিষদের ঋষিও প্রার্থনা করছেন—আমাদের কাছে শ্রী’কে আন। কারণ তিনি ভাত, কাপড়, ভদ্রাসন, সমৃদ্ধি দেন। আর যে কোনও কাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হোক—এটাও তো মানুষের চিরকালীন চাওয়া। জীবনে যত রকমের বাধা বিপত্তি আসতে পারে এবং সব কিছু যে দেবতার অনুগ্রহে কেটে যেতে পারে বলে প্রাচীন বিশ্বাস, তিনি হলেন গণেশ। সনাতনীদের সব পূজার প্রারম্ভে সেই গণেশের পূজা করা হয়। ইনিও বৈদিক দেবতা। পুরাণেও এঁর পর্যাপ্ত প্রশংসা। হরপার্বতীর কোলের ছেলে!’ —শ্রীলোকনাথ চক্রবর্তী।মা লক্ষ্মী ও সিদ্ধিদাতা গণেশ সম্পর্কে আরো জানতে পাঠককে এই বই অবশ্যই পড়তে হবে।








Reviews
There are no reviews yet.