Description
‘লেয়ার্স অফ অনিয়ন’ উপন্যাসের পটভূমি ইউরোপ। একদা আইবি অফিসার তথাগত অধিকারী ওরফে ঋজু নিজ যোগ্যতায় উন্নতির সোপান বেয়ে একজন ইন্টারপোল এজেন্ট হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ নিয়ে স্টাডি করতে করতে একের পর এক বিভিন্ন সত্য আবিষ্কার করতে থাকে সে। ঋজুর উপর উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের ভরসা বাড়তে থাকে। সোমালিয়ার পলাতক দেশদ্রোহী মন্ত্রীর কেসের দায়িত্ব দেওয়া হয় ঋজুকে। মন্ত্রী কি শুধুমাত্র দেশদ্রোহী নাকি এর পিছনে আছে আরও ভয়ানক চক্র? ইউরোপের আন্ডারওয়ার্ল্ড কনসোর্টিয়াম রাশিয়ান সায়েন্টিস্টকে কেন নজরবন্দী করেছে? কোন ধ্বংসলীলাই মেতেছে তারা? গোপন রিসার্চ ল্যাবে কী নিয়ে গবেষণা হচ্ছে, যা সমস্ত দুনিয়ার ভিত নাড়িয়ে দেবে? গরীব দেশগুলো থেকে একের পর এক পাচার হয়ে চলেছে বাচ্চা। কোথায় যাচ্ছে তারা? কী তাদের ভবিষ্যৎ? একের পর এক রহস্যের খোলস খুলতে থাকে ঋজু এবং তার সহকর্মী এমি। এমি একজন ইউরোপোল পুলিশ অফিসার। দুজনে মিলে অন্ধকার জগতের মানুষদের সমস্ত পরিকল্পনা বানচাল করতে থাকে। তারা মুখোমুখি হয় দুর্ধর্ষ দুর্দমনীয় রোগ এজেন্টদের। কারা এই রোগ এজেন্ট? কেন তারা অপ্রতিরোধ্য? রুথলেস ইমোশনলেস এই মানুষগুলো নিজেদের স্বার্থে গণহারে মানুষের প্রাণ নিতে পিছপা হয় না একেবারেই। ঋজু কি পারবে টেররিস্ট অ্যাক্টিভিটি দমন করতে? সে নিজেও অপরাধের ভাগীদার হয়ে যাবে না তো? উত্তর আছে একমাত্র ‘লেয়ার্স অফ অনিয়ন’ (ঋজু সিরিজ ৩য়) উপন্যাসটির মধ্যে।








Reviews
There are no reviews yet.