Description
গৌরবের গ্রামে যে শ্মশান আছে সেখানে কিছুদিনের জন্যে থাকতে আসে দুই অঘোরী তান্ত্রিক। তাদের দেখে গৌরবের ইচ্ছে হয় তন্ত্র সাধনা শিখবে। সেইমতো ওই দুজন অঘোরী তান্ত্রিকের মধ্যে থেকে উল্কেশ তান্ত্রিকের কাছে গৌরব শিখতে শুরু করে তন্ত্র সাধনা। সেই শেখার মাঝেই একদিন উল্কেশ তান্ত্রিক গৌরবকে বলে নরমাংস ভক্ষণ করতে হবে।
সেইমতো একটা মৃতদেহের পোড়া মাংস খায় গৌরব। কিন্তু খাওয়ার পর থেকেই সমস্যায় পড়ে সে। অদ্ভুত এক বিরল রোগ দেখা দেয় তার শরীরে এবং অদ্ভুত কিছু ঘটনাও ঘটতে শুরু করে। উল্কেশ তান্ত্রিক চেষ্টা করে সেই সমস্যার সমাধান করতে কিন্তু না পেরে পাঠায় চণ্ডালের কাছে। চণ্ডাল যখন এই সমস্যার ভেতরে ঢোকে তখন জানতে পারে যে গৌরবের মতো সমস্যায় ভুগছে আরো কয়েকজন। তদের মধ্যে থেকে কেউ কেউ একেবারে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছে। ভয়াবহ হয়ে উঠেছে তাদের জীবন। তাদের থেকেও বিভিন্ন সূত্র পায় চণ্ডাল। সেই সূত্র ধরে এগোতে এগোতে একসময় জানতে পারে চণ্ডাল যে বেশকিছু বছর আগে একটা ভয়ানক পাপ হয়েছিল। ক্ষমার অযোগ্য সেই পাপের ফলেই হচ্ছে এসব। কিন্তু কী সেই পাপ? গৌরবও বা কিভাবে জড়িয়ে পড়লো এইসবের সাথে? আরো যারা গৌরবের মতো সমস্যায় ভুগছিল তারাই বা কিভাবে জড়ালো? ওই পাপকে কিভাবে খণ্ডন করবে চণ্ডাল? নাকি চণ্ডালও পারবে না এঁদের সবাইকে উদ্ধার করতে? জানতে গেলে পড়ুন ‘মহাশ্মশানে চণ্ডাল ২’। এই তন্ত্রনির্ভর ভৌতিক উপন্যাসটি আশাকরি আপনাদের ভালো লাগবে।






Reviews
There are no reviews yet.