Description
কমলকৃষ্ণ পোদ্দার আসলে কে? তিনি কি কোনও বিখ্যাত তন্ত্রসাধক, নাকি কোনও জাঁদরেল পুলিশ অফিসার? তাঁর কি কোনও অলৌকিক ক্ষমতা আছে? উপরিউক্ত প্রশ্নগুলির উত্তর একটাই– ‘না…’ না তিনি তন্ত্রসাধক, না তিনি কোনও জাঁদরেল পুলিশ অফিসার। তাঁর কোনও অলৌকিক ক্ষমতাও নেই। থাকার মধ্যে যা রয়েছে তা হল এক অদম্য সাহস, একটি ভীষণ অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় মন আর অযাচিত ভাবেও বিভিন্ন বিপদের মধ্যে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা। অভাব-অনটনের মধ্যে দিয়ে ছেলেবেলা কাটানোর পর সংসার চালানোর তাগিদে তাঁকে করতে হয়েছে নানান ধরনের কাজ, আর সেই কাজের সূত্রেই তিনি পাড়ি দিয়েছেন পশ্চিমবাংলা তথা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। সম্মুখীন হয়েছেন ভয়াবহ সব লৌকিক এবং অলৌকিক ঘটনার। আজ প্রায় দীর্ঘ চল্লিশ বছরের কর্মজীবনের পর তিনি অবসর নিয়েছেন, ফিরে এসেছেন তাঁর উত্তর কলকাতার ভগ্নপ্রায় বাড়ির তেতলায়। সেখানে বসেই একের পর এক লিখে চলেছেন তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া সেইসব ঘটনার কথা। লেখক বুম বোস রচিত ‘মায়া মার্জার এবং অন্যান্য’ বইতে লিপিবদ্ধ হয়েছে কমলকৃষ্ণের জীবনের তেমনই কিছু অভিজ্ঞতার কথা। পাঁচটি বড়গল্প এবং দু’টো ছোটগল্প দিয়ে সাজানো এই বইটিকে শুধুমাত্র একটি অলৌকিক বা হরর গোত্রীয় বই ভাবলে কিঞ্চিৎ ভুল হবে। আন্দামানের নিষিদ্ধ দ্বীপে প্রাচীন সামুদ্রিক দেবীর অভিশাপ হোক কিংবা দার্জিলিঙের কুয়াশাচ্ছন্ন চা-বাগানের ভয়াল রহস্যের হাতছানি; উত্তর কলকাতার রেডলাইট অঞ্চল সংলগ্ন পাড়ায় ঘটে চলা নৃশংস সিরিয়াল কিলিং হোক কিংবা ডুয়ার্সের জঙ্গল মধ্যস্থ মানুষখেকো মায়াবী আলো…ভয়ের অনুভূতির ফাঁকফোকর দিয়ে এই গল্পগুলি জানান দেয় মানুষের মনের গোপন কোণে ছেয়ে থাকা নিকষ অন্ধকারের কথা। রাতের চেয়েও বেশি অন্ধকার যে কখনও কখনও এসে জমে মানুষের মনের মধ্যে তার জলজ্যান্ত দলিল এই কাহিনিগুলি।






Reviews
There are no reviews yet.