Description
অকাল্ট-সন্ধানী সিন্ধুদা ও তার বন্ধু বাবলার হাতে আচমকাই এসে পড়ল ১৮৪১ সালের এক ডায়েরি। লেখক থমাস উইলকক্স নামের এক আমেরিকান ভাগ্যান্বেষী। কোনও অজানা দানবাকৃতি প্রাণীর খোঁজে সে গিয়েছিল অ্যাফ্রিকার পশ্চিম উপকূলে। কী হয়েছিল তার পর? কোন রহস্যময় ঘটনা ঘটেছিল তার সঙ্গে? সিন্ধুদা কি দুশো বছরের পুরোনো সেই রহস্যের সমাধান করতে পারল? পাওয়া গেল সেই অজানা প্রাণীর পরিচয়? উত্তর রয়েছে সিন্ধুদা-সিরিজের এই কাহিনিতে। সিন্ধু মুখোপাধ্যায় অর্থাৎ সিন্ধুদার নিবাস কলকাতার দক্ষিণ সিঁথিতে। বেশ পুরোনো আমলের বাড়ি। পূর্বপুরুষেরা অবশ্য শুধু বাড়িই বানিয়েই ক্ষান্ত হননি, প্রচুর টাকাও রেখে গেছেন। সিন্ধুদাকে তাই পেট চালাবার তুচ্ছ চিন্তায় সময় নষ্ট করতে হয় না। সে মজায় থাকে, প্রচুর বই পড়ে, অকাল্ট নিয়ে চর্চা করে, আর মাঝে-মাঝেই ব্যাগ গুছিয়ে উধাও হয়ে যায়। তখন দিনের-পর-দিন তার পাত্তা পাওয়া যায় না। যখন সে ফিরে আসে, তখন গল্পের ঝুলি বোঝাই করে নিয়ে আসে। সেই গল্প শোনার জন্য ডাক পড়ে বাবলার। বাবলা পেশাদার কমিক্স-আঁকিয়ে, কলকাতার বইপাড়ায় মোটামুটি পরিচিত নাম। একবার বিপদে পড়ে সিন্ধুদার শরণাপন্ন হতে হয়েছিল, সেই থেকে ঘনিষ্ঠতা। ছবি আঁকার সঙ্গে-সঙ্গে লেখালিখির দিকেও বোধ হয় বাবলার খানিক আগ্রহ আছে, কারণ সিন্ধুদার বেশিরভাগ গল্পগুলো তার জবানিতেই লেখা। সিন্ধুদার আবির্ভাব মায়াকানন পঞ্চম বর্ষ সংখ্যায়, ‘করাল শমন’ (২০২০) উপন্যাসে। ‘অন্ধকারের পথ বেয়ে’ এই সিরিজের দ্বিতীয় উপন্যাস। প্রকাশিত হয়েছিল শারদীয় অন্তরীপ (২০২২)-এ।






Reviews
There are no reviews yet.