Description
পঞ্চতন্ত্রের গল্প একালের নয়, বহুকাল আগের রচনা। বিষ্ণুশর্মা নামে জনৈক পণ্ডিত-লেখক পঞ্চতন্ত্রের রচয়িতা। পণ্ডিত বিষ্ণুশর্মা কল্পনাপ্রসূত নাম অথবা সত্যিকার চরিত্র তা সঠিকভাবে নির্ণয় করা অসম্ভব। পঞ্চতন্ত্রের সবগুলি গল্পই নীতি-শিক্ষামূলক। দাক্ষিণাত্যের রাজা ছিলেন অমরশক্তি। বিভিন্ন ঐশ্বর্যে তাঁর রাজ্য পরিপূর্ণ হলেও মনে তাঁর সুখ ছিল না। রাজার তিন পুত্রই ছিল মূর্খ। রাজা তাঁর এক মন্ত্রীর পরামর্শে পণ্ডিত বিষ্ণুশর্মাকে আমন্ত্রণ করে তাঁর এক মন্ত্রীর পরামর্শে পণ্ডিত বিষ্ণুশর্মাকে আমন্ত্রণ করে তাঁর তিন মূর্খ ছেলের শিক্ষার দায়িত্ব দান করলেন। পণ্ডিত বিষ্ণুশর্মা ছ-মাস সময় গ্রহণ করেছিলেন রাজকুমারদের সকল বিদ্যায় অসাধারণ করে তোলার জন্য। পণ্ডিত বিষ্ণুশর্মা কুমারদের শিক্ষার উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করলেন। চিরাচরিত প্রথায় মাত্র ছ-মাসের মধ্যে রাজকুমারদের সকল শাস্ত্র সম্পর্কে জ্ঞান দান সম্ভব নয়। এইজন্য বিষ্ণুশর্মা নীতি-শিক্ষামূলক গল্পের মাধ্যমে রাজকুমারদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করলেন। পণ্ডিত বিষ্ণুশর্মা পাঁচটি বিভাগে ভেঙে যে পুঁথি রচনা করলেন তার নামকরণ করলেন পঞ্চতন্ত্র। পঞ্চতন্ত্রের পাঁচটি ভাগ হল- মিত্রভেদ, মিত্রপ্রাপ্তি, কালোলুকীয়, লব্ধপ্রণাশ ও অপরীক্ষিত কারক। পঞ্চতন্ত্রের গল্পগুলির অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাত্রপাত্রী হল পশুপাখি। তাদের আচার-ব্যবহার, স্বভাবের মাধ্যমে মানুষের বিচিত্র স্বভাবতই প্রকাশিত হয়েছে এবং এই কারণে চরিত্রগুলি হয়ে উঠেছে জীবন্ত। লেখক তাঁর অসাধারণ লেখনীর মাধ্যমে সমাজের একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র অত্যন্ত সহজে চিত্রিত করেছেন। গল্পগুলির সার সত্য চিরকালীন এবং জগৎ ও জীবনের চিরন্তন দর্পণ।








Reviews
There are no reviews yet.