Description
সংগ্রামী বিরসা মুন্ডার মৃতদেহটা টানতে টানতে হরমু নালার তীরে নিয়ে আসা হল। এবারে মেথরদের দিয়ে কোনরকমে ঘুঁটে পুড়িয়ে মৃতদেহের সৎকার করা হবে! ঠিক এমন সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেন ‘আন্তিগোনে।’
আরে এ তো কেয়াদি! স্কটিশ চার্চ কলেজের ইংরেজির অধ্যাপিকা কেয়া মুখার্জি। হাতিবাগানের রঙ্গনা থিয়েটারে বহুবার ওঁর অভিনয় দেখেছেন তিমিরবরণের মা সোমলতা মিত্তির! কিন্তু সে এখানে!
“শোনো নিষ্ঠুর ক্রেয়ন, এবার আমি যা করতে যাব তা ঠিকই করব। একজন মানুষের শেষ পাওনা হল যথাযথ উপায়ে তাঁর অন্তেষ্টি! তাই বিরসার মৃতদেহকে চিতা সাজিয়ে আগুনে পোড়ানোর ব্যবস্থা করব আমি।”ক্রেয়ন চিৎকার করে উঠল, ” অন্যায়ের বিচার করবার তুমি আমি কে আন্তিগোনে ? আমরা সকলেই আইনের হাতে বন্দি! এই পলিনাইকিস,বিরসাদের পক্ষে কোনই আইন নেই! তাই অন্যায় হচ্ছে জেনেও মুখ বুজে থাকতে হবে।”
মুহূর্তেই ঘুম ভেঙ্গে জেগে উঠলেন সোমলতা। বিরসা মুন্ডা, কেয়া মুখার্জি, আন্তিগোনে এসবের একত্রে কথোপকথন তো বাস্তবের নয়! তবে এ কি স্বপ্ন! হ্যাঁ, স্বপ্নই তো! কিন্তু স্বপ্নের ঘোরে কলেজ জীবনের শিক্ষিকা আন্তিগোনের পোশাকে কেয়া দি এ কি বার্তা দিয়ে গেলেন! পুরুষ মানুষদের স্বপক্ষে কোন আইন নেই জেনেও তবে কি তিনি অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত বুঝিয়ে গেলেন! এ কি তাহলে Men’s right এর কথা! তবে কি বিরসা মুন্ডার মতন হকের লড়াইয়ে সমগ্র পুরুষ জাতির জন্য এ আরেক ‘উলগুলান’ এর সময়!
তখনই পুরুষ অধিকার কর্মী অগ্নিবীণা ভট্টাচার্যের ফোন এল। আজই ওঁদের প্যানেলড লইয়ারের সঙ্গে দেখা করবে ছেলে তিমিরবরণ। ওর স্ত্রী রাজলক্ষ্মী ওর বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলার মালা সাজিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তিমির আর এসবে ভয় পায় না! বিকেলেই ছেলে তিমিরের সঙ্গে বেরোতে হবে। এখান থেকে গন্তব্য আর কতটুকুই বা পথ!






Reviews
There are no reviews yet.