Description
লেখক দীপক কুমার পালের জন্ম ১৯৪১ খৃষ্টাব্দে মৈমনসিংহ জেলার পুটিয়ালী গ্রামে। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের অব্যবহিত আগে লেখকের বাবা সরকারি চাকরিতে অপশন দিয়ে সপরিবারে পশ্চিমবঙ্গের অম্বিকা কালনায় চলে আসেন।
অম্বিকা কালনায় স্কুল ও কলেজের পড়াশোনা শেষ করে লেখক বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় হতে এম.এ, বি.টি ডিগ্রী লাভকরেন। কর্মজীবনে লেখক ছিলেন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক।
১৯৬৫-৬৬ সাল হতে ১৯৭১-৭২ সাল অবধি লেখক বর্ধমান ও কোলকাতা হতে প্রকাশিত কয়েকটি সাহিত্য পত্রিকায় লেখালেখি করেছেন। সে সময়ের প্রচলিত ধারা অনুসারে সিনেমা পত্রিকাতেও লেখকের গল্প প্রকাশিত হয়েছিল।
‘সোভিয়েৎ দেশ’ পত্রিকায় লেখকের দুটি কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। কোলকাতা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ‘নূতন পৃথিবী’ এবং বর্ধমানের ‘অগ্নিক্ষরা’ প্রত্রিকায় ‘বেরসিক’ ছদ্মনামে লেখক ঘটমান রাজনৈতিক বিষয়ে সাপ্তাহিক কলম লিখতেন। বর্ধমানে ‘প্রয়াস’ এবং ‘গোকী’ শীর্ষক দুটি সাহিত্যপত্রিকা সম্পাদনা করেছেন।
সাহিত্যজগতে প্রতিষ্ঠা পেতে প্রখ্যাত লেখক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনেক স্ট্রাগল করতে হয়েছিল, তাই
প্রতিশ্রুতিবান লেখকদের প্ল্যাটফর্ম দেওয়ার জন্য তিনি ‘প্রতিশ্রুতি’ শীর্ষক একটা মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন, যেটি সম্পাদনা করতেন স্টেটসম্যান পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ব্রজেন ভট্টাচার্য্য। সাহিত্যিক তারাশঙ্করের ছেলে সনৎ বন্দোপাধ্যায় প্রতিশ্রুতি পত্রিকা তত্ত্বাবধান করতেন।
১৯৭১ সালে প্রতিশ্রুতি পত্রিকার উদ্যোগে উভয় বাংলার নবীন লেখকদের উদ্দেশ্যে ছোট গল্প প্রতিযোগিতা আহ্বান করা হয়েছিল। বর্তমান লেখকের লেখা ‘অসুখ’ নামক গল্প প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হয়। লেখক হিসাবে তিনি তার ডাক নাম ‘কাজল’ পাল ব্যবহার করেছিলেন।
সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রাদ্ধবাসরে পুরস্কার বিতরনি অনুষ্ঠান হয়েছিল। তৎকালীন বাংলার সাহিত্য, সঙ্গীত, নাটক, চিত্রকলা ক্ষেত্রের প্রায় সকল বিখ্যাত ব্যক্তি উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিশ্রুতি পত্রিকায় কয়েকটি গল্প প্রকাশিত হওয়ার পর সম্প াদক ব্রজেন বাবু ধারাবাহিক উপন্যাস লেখার প্রস্তাব দেন। সে কাজ করা সম্ভব হয় নি। ১৯৭২ সালে প্রধান শিক্ষকের বিপুল দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর সাহিত্য সেবার সুযোগ লেখকের আর ঘটে নি।
২০০৩এ অবসর গ্রহণের পর অবসর যাপনের জন্য লেখক পুনরায় লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেছেন।






Reviews
There are no reviews yet.