Description
রতনতনু ঘাটী খুব সহজ সরল ভাষায় ছোটোদের মনের কথা লিখতে পারেন। তাই সব বয়সের ছোটোরাই তাঁর লেখার মুগ্ধ পাঠক। তিনি যেসব রূপকথা লেখেন, তা বিষয়বৈচিত্রে যেমন একেবারেই নতুন, ভাষার মাধুর্যে তেমনই অভিনব। সেই সব না-দেখা, মন-ভাল করা চরিত্ররা কল্পনার জগৎ থেকে উঠে এসে ভিড় করে রতনতনুর রূপকথার বইয়ের পাতায়। এই বইটি রতনতনুর এক নতুন রূপকথা। এক ছিল রাজা-মুখোশ। সে ছিল পারুলগড়ের রাজবংশ। তার ছিল এক রানি-মুখোশও। তারা থাকত পলাশকুসুম মুখোশ মিউজিয়ামে। সেখানে থাকত বাঘ-মুখোশ, সিংহ-মুখোশ, গন্ধীরার রাক্ষস-মুখোশ, অনুর মুখোশ, কথাকলির অর্জুন-মুখোশ আর কৃষ্ণ মুখোশ, ছৌ নাচের দুর্গা-মুখোশ, আফ্রিকার ডোগেন-মুখোশ, হিমালয়ের কালী-মুখোশ, আরও কত-কত মুখোশ। একদিন রাজা-মুখোশ বাইরে বেড়াতে গিয়ে শুনে এসে রানি-মুখোশকে বলল, দিয়া নাকি এবার ‘বসে-আঁকো’তে মুখোশের ছবি আঁকবে। সত্যিই কি দিয়া মুখোশের ছবি আঁকল।
মানুষ কেন মিথ্যে-মুখোশ পরে ঘুরে বেড়ায়। এরই প্রতিবাদে একদিন দুখোশরা বেরিয়ে পড়ল মিউজিয়াম থেকে। তারা চলল আশামতি দিঘি পেরিয়ে, বেতসার মাঠ পেরিয়ে নয়নতারা স্কুলে। সেই স্কুলের ছেলেমেয়েদের জিজ্ঞেস করল, তারাও কি মিথ্যে-মুখোশ চায়? এমন সময় এক মুসাফিরের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল মুখোশদের। মুসাফির তার লম্বা পকেট থেকে ছবি-আঁকা একটা কাগজ বের করে রাজা-মুখোশকে জিজ্ঞেস করল, এটা কিসের ছবি। তারপর ঘটল এক অবাক কাণ্ড! এ এক আশ্চর্য রূপকথা। ছোটোদের সঙ্গে বড়োদেরও মুগ্ধ করবে এই
মুখোশ-কাহিনি।








Reviews
There are no reviews yet.