Description
জঙ্গলমহলের আদিবাসী জীবনকে আপন করে নেওয়া, কেন্দুপাতা নিয়ে আন্দোলন, মজুরি বাড়াবার লড়াই, পুলিশের বন্দুকের সামনে রুথাসুখা মানুষদের চ্যালেঞ্জ, যে কোনো মুহুর্তে গুলিবিদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা – যেন ছায়াছবির ফ্রেমের পর ফ্লেম— যার শেষ পর্বের পটভূমি জল-জঙ্গলভরা সুন্দরবন। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে একদিকে যেমন সঞ্চয়ের ঝুলি ভরে উঠেছে, অন্যদিকে খোয়াতেও হয়েছে অনেক কিছু। অসংখ্য অবিস্মরণীয় চরিত্রের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি— একদিকে যেমন জ্যোতি বসু, হরেকৃষ্ণ কোঙার অথবা সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়, অন্যদিকে জানা অজানা অজস্র চরিত্র। “রক্তপলাশের আকাঙ্ক্ষায় কান্তি গাঙ্গুলীর আত্মকথনের নির্যাসে ভেজা এমন এক সাহিত্য-কর্ম, যা যুগ যুগান্তরের মুক্তমনা মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দপ্ করে জ্বলে ওঠার প্রেরণা যোগাবে। লড়াকু মানুষের হাতে এ গ্রন্থ এক অনিবার্য অস্ত্র, অনন্য সম্পদ।
বিক্ষুব্ধ সময় বারবার তরঙ্গাভিঘাতে ভেঙে ফেলতে চেয়েছিল হেঁটে চলার পথ। কিন্তু যে পথ ঠিকানা খুঁজে পেয়েছিল প্রান্তিক মানুষের দোড়গোড়ায়, সে পথ ঋজু, মজবুত, বন্ধুর হলেও সুঠাম তার গঠন। সে পথ আপামর বিশ্বে মানবমুক্তির নির্বিকল্প পথ। মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদের বীক্ষায়, বিশ্বাসে সেই দীর্ঘ পথের পরিব্রাজক কান্তি গাঙ্গুলী।
‘রক্তপলাশের আকাঙ্ক্ষায়’ কান্তিবাবুর আত্মকথনের নির্যাসে ভেজা তেমন এক সাহিত্য-কর্ম, যা যুগাত্তরের মুক্তমণা মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দপ্ করে জ্বলে ওঠার প্রেরণা জোগাবে। সাচ্চা কমিউনিস্ট হতে গেলে আগে একজন সহমর্মী মানবতাবাদী হতে হয় বা মেহনতী মানুষের জীবনের সঙ্গে সেতুবন্ধনে ব্রতী হতে হয় তাকে। কান্তিবাবুর জীবনের সেই দর্শন আর অভিজ্ঞতাই আত্মমগ্নতা ব্যতিরেকে দেশ ও দশের জন্য উঠে এসেছে বইয়ের পাতায়। লড়াকু মানুষের হাতে এ এক অনিবার্য অস্ত্র, অনন্য সম্পদ।
কমলেশ্বর মুখার্জী চলচ্চিত্র পরিচালক






Reviews
There are no reviews yet.