Description
অবিরত উৎসসন্ধানে মানুষের চলন। শারীরিক এবং মানসিক। নীলোৎপল দেখেছে লোভ ঘিরে ফেলে অনেকজন মিলে একজনকে। সম্পদ বাঁচাতে মায়ের মৃত্যু শুনেছে নীলোৎপল… দেখেনি। অথচ সে দেখতে পায়… নাকি শুনতে পায়? নীলোৎপল সব শুনতে পায় মায়ের জঠরকাল থেকে। ওর চারপাশের বাজারের শব্দ। রাতের নিস্তব্ধতায় দূরে দাঁড়িয়ে থাকা হায়নাদের মতো যারা ওকে ভিটে ছাড়া করতে চায় তাদের গুনগুন। যারা ওর মাকে শেষ করেছিল… সবার কথা ও শুনতে পায়। ভগ্নাংশের চেয়েও সামান্য সময় পার্বতী এসেছিল নীলোৎপলের জীবনে সেও সারাজীবন ক্রমশই সরে যেতে বাধ্য হয়… মেনে নিতে বাধ্য হয় কখনো চোর কখনো পরিযায়ী সমর্থ পু্রুষকে… আসে অভিরাম ও আরো কে কে যারা শুধু বাজারেই বাস করে। স্বপ্ন দেখে। নীলোৎপল নাকি পার্বতী নাকি কমলেশবাবু নাকি কমলেশবাবুর বিধবা পুত্রবধূ… নাকি বাবা ছেলের রসায়ন? এসব পেরিয়ে পার্বতীর সঙ্গে নীলোৎপলের কি দেখা হয়? পাঠকের নিজের অজান্তেই হাঁটা শুরু হয় ‘শিকড়ের অলিগলি’-তে…






Reviews
There are no reviews yet.