Description
“…আমি মূর্খ, ভগবদগীতার মর্ম কী বুঝিব? গীতা জগতের অদ্বিতীয় ধর্মগ্রন্থ। কাব্যাংশেও গীতা অতুলনীয়। কাব্যে এবং ধর্মগ্রন্থে রূপগত পার্থক্য থাকিলেও প্রকৃত মনুষ্যত্ব শিক্ষা দেওয়াই উভয়ের একমাত্র উদ্দেশ্যে।” বলেছেন শ্রীনবীনচন্দ্র সেন। প্রকৃত প্রস্তাবে ‘গীতা’ যতখানি ধর্মগ্রন্থ, তার চেয়ে আরও বেশি করে, কাব্যগ্রন্থই। বিষয়সেবী অজ্ঞ লোকের জন্য, বা সর্বসাধরণের জন্য, ‘গীতা’ রচিত হয়নি। শ্রীরাজশেখর বসুর ভাষায়, “আপামরসাধারণকে গীতা মুখস্থ করিয়ে কোন লাভ নেই।” কাব্য বা যোগ কি আর সকলের জন্যে? কেউ-কেউ কবি। কেউ-কেউ যোগী। …গ্রন্থশেষে, শ্রীভগবান, শিষ্য অর্জুনকে বলেছেন, “আমি ত যা বলার, বললাম। এখন তুমি ভেবে দেখ’, কী করবে। কী করতে চাও।” …ঈশ্বর পাঠকের কাছেও, দীন গ্রন্থকারের, করজোড়ে, সেই একই নিবেদন…





Reviews
There are no reviews yet.