Description
করার মানেই হয় না। কবিতা লেখার সময়ও তো চাই। ঠিক কথা। এত দিনে সেটা বুঝলে। তবু তো বুঝলাম। কমলি, আমার কবিতা আবার ছাপা হচ্ছে। একটা বই বেরোবে। কমলা গাঢ় গলায় বলে, শোনো, সিন্ধুকে কেন ব্যবসা ছেড়ে দাও না। ওর মতো পাকা মাথা তোমারও নেই। তুমি আগের মতো মাস্টারি আর কবিতা নিয়ে থাকো। সাগর অবাক হয়ে বলে, এ কী বলছ? তোমার মুখে এই কথা? নয় কেন? অনেক কষ্ট পেয়ে তো বুঝেছি আমার টাকার চেয়ে তোমাকে অনেক বেশি দরকার। সাগর উঠে বসল উত্তেজনায়। বলল, সিন্ধুটার কথা কখনও মনে হয়নি। ঠিক বলেছ তো। আমি তো ওকেই পার্টনার করে নিতে পারি। নেবে? নিশ্চয়ই। ওকে এক্ষুনি ডাকি। আজ থাক না। সকালে বরং- না, না। এক্ষুনি। সিন্ধু! সিন্ধু! বলে ডাকতে ডাকতে সাগর মশারি থেকে বেরিয়ে গেল। বড় সুখে শুয়ে চেয়ে থাকে কমলা। সেই পাগলাটে, খ্যাপাটে সাগর আবার ফিরে এসেছে তার কাছে! যখন যা মনে হবে তখনই তার করা চাই। এক বার জ্যোৎস্নায় বসে ভাত খেয়েছিল, রাত বারোটার পর কমলাকে নিয়ে বেড়াতে বেরিয়েছিল অন্য বার। সেই লোকটা মাঝখানে খুব হিসেবি হয়ে গেল, বড়লোক হল, ঠান্ডা মেরে গেল। ভগবান আবার সেই কবি স্বামীটিকে তার ফিরিয়ে দিয়েছেন। কমলা বালিশে মুখ গুঁজে কাঁদে। এত সুখের কান্না কোনও দিন কাঁদেনি।









Reviews
There are no reviews yet.