Description
না, এ কোনও আত্মজীবনী নয়। এই বই হল জীবনের গল্প। এক জীবনে তিন জীবন দেখার গল্প। ডাক্তারি জীবন। অভিনয় জীবন। লেখক জীবন। এই তিনটি জীবন নিয়েই দীর্ঘ কয়েক দশক তার পথ চলা। আর এই পথ চলার গল্পই তিনি ভাগ করে নিতে চান এই বইয়ে, তার পাঠকদের সঙ্গে। যার অনেকটা জুড়েই আছে দে’জ পাবলিশিং-এর সঙ্গে তার ৩৪ বছরের নিবিড় আত্মীয়তার গল্প। এছাড়া সিনেমা জগতের কানন দেবী, সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, তপন সিংহ, তরুণ মজুমদার, উত্তমকুমার, মাধবী, শুভেন্দু, রবি ঘোষ, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কথা
যেমন আছে এই বইতে— তেমনি আছে সাহিত্য জগতের সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়, বিমল কর, দিব্যেন্দু পালিত, নিমাই ভট্টাচার্য, দুলেন্দ্র ভৌমিকের কথাও। ডাক্তারি জগতের আবিরলাল মুখোপাধ্যায়, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল ঠাকুর, মনীশ প্রধানের মতো প্রবাদ প্রতীম চিকিৎসকদের ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্যের স্মৃতিচারণও আছে এই বইতে। আসলে এই বই এক ক্লান্তিহীন জীবন পথিকের দীর্ঘ পথ চলার গল্প।
এক জীবনে তিন জীবন বয়ে বেড়ানোর কাহিনি এই
বই। ডাক্তারি জীবন, অভিনেতার জীবন আর লেখকের
জীবন। এবং এই তিনটি জীবনেই তিনি কম বেশি সফল। দীর্ঘ পথ চলা তার এই তিন জীবনের সঙ্গে। দেখেছেন অসংখ্য মানুষ, সাক্ষী হয়েছেন অত্যাশ্চর্য সব ঘটনার। পাশে বসে সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কানন দেবীর, সুরসাগর জগন্ময় মিত্রর। তিন তিনবার করেছেন নজরুল দর্শন, লুকিয়ে চুরিয়ে শুটিং দেখেছেন সুচিত্রা সেনের। সান্নিধ্যে এসেছেন উত্তম কুমার, সৌমিত্র,
শুভেন্দু, মাধবী-সহ অনেক অনেক চিত্র তারকার।
লেখক জীবন শুরু করেছিলেন সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের
হাত ধরে। প্রথম লেখা ‘দেশ’ পত্রিকায়। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রকে হাতে টানা রিকশায় চাপিয়ে নিজের নাটক দেখাতে নিয়ে এসেছিলেন। দীর্ঘ ৩৪ বছর দে’জ পাবলিশিং-এর সঙ্গে সম্পর্ক। দেখেছেন এদের একটু একটু করে বড় হওয়া। লেখক প্রকাশকের সম্পর্ক কখন যে আত্মীয়তায় পরিণত হয়েছে, নিজেও জানেন না। মিঠুন-সহ নানা চিত্র তারকার সঙ্গে শুটিং করার
মজার মজার গল্পও শুনিয়েছেন লেখক। ডাক্তারি জীবনে বহুবিখ্যাত ডাক্তারের সঙ্গ ধন্য হয়েছেন। নেশার জগতে লেখকের প্রথম প্রেম নাটকের সঙ্গে। সেই গল্পও আছে এই বইতে। করকার বাংলায় লেখা এই বইয়ের প্রতিটি গল্পেই পাঠক পাবেন নানা অচেনা
জগতের স্বাদ।






Reviews
There are no reviews yet.